Beta

নিজেকে নয়, দলকেই ট্রফি জয়ের কৃতিত্ব দিলেন মাশরাফি

১৯ মে ২০১৯, ১১:৫১ | আপডেট: ১৯ মে ২০১৯, ১৪:২২

স্পোর্টস ডেস্ক

আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার রোমাঞ্চকর ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পরাজিত করে টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতে নেয় মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। সিরিজ শেষে বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য এখন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে ভালো পারফর্ম করা। আগামী ৩০ মে থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের আসর। ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আত্মবিশ্বাস সঙ্গে নিয়ে ডাবলিন থেকে লন্ডনে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ দল। তবে অধিনায়ক মাশরাফি ঐতিহাসিক ট্রফিটা সঙ্গে নিয়ে ঐচ্ছিক ছুটি কাটাতে দেশে ফিরে এসেছেন।

শনিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। তবে তিনি একাই ফিরে আসেননি। ত্রিদেশীয় সিরিজে দলের সঙ্গে থাকা তিন ক্রিকেটার ইয়াসির আলি, নাঈম হাসান, তাসকিন আহমেদও মাশরাফির সঙ্গেই দেশে ফিরেছেন। আরেক ক্রিকেটার ফরহাদ রেজা রোববার সকালের ফ্লাইটে ফিরবেন। ডাবলিন থেকে মাশরাফি এবং দলের অন্য তিন সদস্যের সঙ্গে একই ফ্লাইটে উঠেছিলেন ওপেনার তামিম ইকবালও। তবে তিনি দুবাইতে নেমে গেছেন। সেখানেই পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাবেন তিনি। আগামী ২৬ মে পাকিস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ দল। কয়েক দিন বিশ্রামে থাকার পর সেই প্রস্তুতি ম্যাচ শুরুর আগেই দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মাশরাফি ও তামিমের। 

এই প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে শিরোপা জেতা বাংলাদেশ দলের অধিনায়ককে অভ্যর্থনা জানাতে শনিবার রাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। এ ছাড়া বিসিবির পরিচালক জালাল ইউনুস, ইসমাইল হায়দার মল্লিক, মাহবুবুল আনাম ও প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিপুলসংখ্যক সংবাদকর্মীও উপস্থিত ছিলেন।  

এর আগে মোট ছয়টি টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলেছে বাংলাদেশ দল। তবে প্রতিবারই পরাজয়ের হতাশায় পুড়েছে দল। অবশেষে মাশরাফির নেতৃত্বে সপ্তমবারের চেষ্টায় অধরা সাফল্য ধরা দেয়। তবে বিমানবন্দরে নেমে এ নিয়ে খুব বেশি কথা বলেননি মাশরাফি। অল্প কয়েক কথায় বলেছেন, ‘আপনারা কষ্ট করে এসেছেন, তাই আপনাদের ধন্যবাদ। আমি আসলে আপনাদের সঙ্গে খেলা নিয়ে কথা বলব না, কারণ পুরো দল আসেনি। শুধু আমি এসেছি। তাই এখানে কথা বলা ঠিক হবে না। মূল খেলোয়াড়রা যারা খেলেছে এবং মাঠে কষ্ট করেছে, তারাই কথা বলার দাবি রাখে।’

Advertisement