Beta

‘সাবিত্রী ও হৈমন্তী দিদির সঙ্গে দারুণ সময় কাটিয়েছি’

২৮ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:১১

ভারতের প্রখ্যাত তারকা সাবিত্রী ও হৈমন্তীর সঙ্গে জেনিফার। ছবি : সংগৃহীত

জেনিফার ফেরদৌস। এটিএন বাংলায় ‘হারানো সুর’ নামে একটি অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করে পরিচিতি পান। উপস্থাপনার পাশাপাশি মডেলিং ও টিভি নাটকেও অভিনয় করছেন তিনি। সম্প্রতি কলকাতায় দুটি  বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করে ঢাকায় ফিরেছেন। কলকাতায় প্রথমবার উপস্থাপনা করার অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য বিষয়ে এনটিভি অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন জেনিফার।

এনটিভি  অনলাইন : প্রথমবারের মতো দেশের বাইরের অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন। অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

জেনিফার ফেরদৌস : কলকাতার দুটি অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা আমি করেছি। একটি হলো, বেঙ্গল ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন চেম্বার অব কমার্সের (বিএফটিসিসি) আজীবন সম্মাননা প্রদান এবং চতুর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের  উদ্বোধন অনুষ্ঠান। ২০ এপ্রিল এই অনুষ্ঠানের একটি পর্ব আমি উপস্থাপনা করেছিলাম। অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী কবরী সারোয়ারকে চলচ্চিত্রে অবদান রাখার জন্য ‘রাজ রাজ্জাক লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। তাঁর হাতে মানপত্র ও একটি প্লেক তুলে দেন বিশিষ্ট সুরকার দেবজ্যোতি মিশ্র ও অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। 

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে কলকাতার বর্ষীয়ান অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়কে হীরালাল সেন নামাঙ্কিত আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা উৎপলেন্দু চক্রবর্তীকে সম্মানিত করা হয়েছে ‘দেবকী কুমার বসু লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ দিয়ে।

অন্যদিকে, রবীন্দ্র সদনে ২১ এপ্রিল  রিমঝিম লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের একটি পর্ব আমি উপস্থাপনা করেছি।

এনটিভি  অনলাইন :  অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করার স্মরণীয়  কোনো ঘটনা আছে?

জেনিফার ফেরদৌস : রিমঝিম লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রখ্যাত গায়িকা হৈমন্তী শুক্লা। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করার পাশাপাশি হৈমন্তী শুক্লা দিদিকে আমি  বিশেষ সম্মাননা হাতে তুলে দিয়েছিলাম। তাঁকে নিয়ে লেখা মানপত্রও আমি পড়েছি। এটা আমার জীবনে চরম পাওয়া। আমি পুরো সময় ঘোরের মধ্যে ছিলাম। মনে হয়েছিল আমি স্বপ্নের মধ্যে আছি। সেদিন অনুষ্ঠানে  আমাদের চলচ্চিত্রের প্রিয় মুখ আলমগীর, কবরীসহ ভারতের অভিনেতা অর্জুন উপস্থিত ছিলেন।

এনটিভি অনলাইন : হৈমন্তী শুক্লার সঙ্গে বিশেষ কোনো কথা হয়েছে?

জেনিফার ফেরদৌস :  হ্যাঁ। তিনি আমাকে অনেক স্নেহ করেছেন। আমাকে  প্রথম দেখেই তিনি বলেছেন, ‘তুই কি বাংলাদেশের শতাব্দী রে? সিনেমায় অভিনয় করিস? তুই তো পুরোই আমাদের শতাব্দীর মতো।’ আমি তখন তাঁকে বলেছিলাম, ‘আমি  উপস্থাপনা করছি। নাটকে অভিনয় করেছি। সিনেমা করা হয়নি।’ অনুষ্ঠানে সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় ও হৈমন্তী দিদির সঙ্গে দারুণ সময় কাটিয়েছি আমি। আমাকে তাঁরা অনেক আপন করে নিয়েছিলেন।

এনটিভি অনলাইন : শেষ প্রশ্ন।  উপস্থাপনা করার পাশাপাশি আপনি বিটিভির প্রিভিউ কমিটির সম্মানিত একজন সদস্য। নিজের কাজ নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

জেনিফার ফেরদৌস :  যা কিছু করছি ভালোবেসে করছি। ভবিষ্যতে নাটক পরিচালনা ও প্রযোজনা করার ইচ্ছে আছে।

Advertisement