Beta

এনসিএলে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২০ লাখ টাকা

০৮ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:২০

ক্রীড়া প্রতিবেদক

আগামী বৃহস্পতিবার মাঠে গড়াচ্ছে দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর জাতীয় লিগ(এনসিএল)। আটটি দল নিয়ে ১০টি ভিন্ন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে এবারের লিগ। ২১তম এনসিএলে ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়ানোর আভাস ছিল, সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন ফিও। কিন্তু কোনোটাই হয়নি। এমন কি আগের মতোই আছে ভ্রমণ ও দৈনন্দিন ভাতাও।

এবারের লিগে প্রথম স্তরে থাকা দলের ক্রিকেটার প্রতি ম্যাচে পাবেন ৩৫ হাজার টাকা করে। আর দ্বিতীয় স্তরের ক্রিকেটাররা পা্বেন ২৫ হাজার। এছাড়া দুই স্তরের প্রতিটি দলকে প্রস্তুতি ক্যাম্প করতে দেওয়া হয় ৬ লাখ টাকা। কেবল প্রস্তুতি ক্যাম্পের জন্য সমান অর্থ পাচ্ছে দলগুলো।

এছাড়া টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলকে দেওয়া হবে ২০ লাখ টাকা। রানার্সআপ পাবে ১০ লাখ। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্তরের দলগুলো পাচ্ছে ৫ লাখ টাকা করে। কিন্তু দ্বিতীয় স্তরের রানার্সআপদের জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দ নেই।

২০১৭ সালে জাতীয় লিগে কিছুটা অর্থ বাড়িয়েছিল বিসিবি। তখন ২৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ হাজার করা হয়েছিল। সঙ্গে ভ্রমণ ভাতা ২ হাজার থেকে বাড়িয়ে আড়াই হাজার হয় করা হয় ও দৈনন্দিন ভাতা ১ হাজার থেকে করা হয় দেড় হাজার।

এক আসর বাদে এবারও ম্যাচ ফিসহ বাকি সুবিধাগুলোর ফি বাড়ানো কথা ছিল। কিন্তু গতকাল সোমবার বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান জানিয়ে দিলেন, এবারের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট টুর্নামেন্টেও আগের মতো ফি দেওয়া হবে।

সেক্ষেত্রে প্রথম স্তরের প্রতিটি ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় পাবেন ২৫ হাজার টাকা। টুর্নামেন্ট সেরা পাবেন ১ লাখ টাকা। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ও সেরা উইকেট শিকারী পাবেন ৭৫ হাজার টাকা। প্রতি ম্যাচের জয়ী দল পাবে ৮০ হাজার টাকা বোনাস। আর দ্বিতীয় স্তরে প্রতিটি ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় পাবেন ২০ হাজার টাকা। টুর্নামেন্ট সেরা পাবেন ৫০ হাজার টাকা। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ও সেরা উইকেট শিকারী পাবেন ৫০ হাজার টাকা। প্রতি ম্যাচের জয়ী দল টাকা বোনাস পাবে ৭৫ হাজার টাকা।

এবারের ম্যাচগুলো হবে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম, রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়াম, খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম, বরিশাল বিভাগীয় স্টেডিয়াম, কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ১ ও ২ নম্বর মাঠ, রংপুর ক্রিকেট গার্ডেন, চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও ঢাকার শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

Advertisement