Beta

২০২৩ বিশ্বকাপ অবধি খেলতে চান মুশফিক

২০ জুলাই ২০১৯, ১৭:৪৩ | আপডেট: ২০ জুলাই ২০১৯, ১৯:৫৯

ক্রীড়া প্রতিবেদক

গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দুনিয়ায় ধাপে ধাপে অনেকটাই এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ। আর এই দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মুশফিকুর রহিম। দলের ব্যাটিংয়ের অন্যতম স্তম্ভ তিনি। ২০১৫ থেকে তাঁর ব্যাটিং গড় ৪৭.২১।

তবে আরেকটা বিশ্বকাপ খেলতে চান ৩২ বছর বয়সী মুশফিক। আর তার প্রস্তুতি তিনি নিতে চান একটু একটু করে। সে কথাই  জানালেন তিনি, ‘হ্যাঁ, ২০২৩ বিশ্বকাপ খেলতে চাই বৈকি। তবে এবার সময় এসেছে প্রতি সিরিজের আগে খেলব, না খেলব না, তা যাছাই করার। এভাবে ভাবলে মনে হয় ফর্ম ধরে রাখতে পারব। একসঙ্গে বেশি দূরের কথা ভাবলে একটানা ফর্ম ধরে রাখা কঠিন। বয়স বাড়ছে, তাই দলকে আরো বেশি বেশি করে জেতাতে চাই।’

২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়র্টর ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। এবার অষ্টম স্থানে শেষ করলেও দক্ষিণ আফ্রিকা আর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে অনেকেরই নজর কেড়েছে তারা। রানার্সআপ নিউজিল্যান্ড ও  পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা ভারতকেও রীতিমতো বেগ পেতে হয়েছিল তাদের বিপক্ষে।

ব্যাটেবলে এবার বাংলাদেশের প্রধান তারকা ছিলেন সাকিব। মোট ৬০৬ রান আর ১১ উইকেট আসে তাঁর ঝুলিতে। তবে আট ইনিংসে ৩৬৭ রান করে খুব একটা পিছিয়ে ছিলেন না সাবেক অধিনায়ক মুশফিকও।

বিশ্বকাপে নিজের অবদান নিয়ে মোটামুটি সন্তুষ্ট মুশফিক। বলেছেনও, ‘এই বিশ্বকাপে চার নম্বর ব্যাটসম্যানদের মধ্যে মনে হয় না রস টেলর ছাড়া আমার থেকে ভালো আর কেউ ব্যাট করেছে। সবচেয়ে বড় কথা, আমার ব্যাটিং দলকে জিততে সাহায্য করেছে। তাই আমি খুশি। এ রকম খেললে আরো ভালো করার জন্য, আরো বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার জন্য বাড়তি আত্মবিশ্বাস পাই।’

ভবিষ্যতে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘বয়স বাড়ছে, তাই দলকে আরো বেশি বেশি করে জেতাতে চাই। সত্যি কথা বলতে কি, আমার দিন ফুরিয়ে এসেছে, তাই হাতে সময় নেই বেশি। ১০-১৫ বছর ধরে খেলছি। এবার আরো উন্নতির পালা। ৫০-৬০ নিয়ে সন্তুষ্ট না হয়ে ম্যাচ জিতিয়ে ফিরতে চাই। আর সেটা যে পারব, তা আমি এই বিশ্বকাপে প্রতিকূল পরিবেশে কঠিন প্রতিপক্ষের মোকাবিলা করে বুঝেছি।’

মুশফিকুর আর তামিমের মধ্যে কে বড় ক্রিকেটার তা নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটমহলে জল্পনার শেষ নেই। তবে মুশফিকুর মনে করেন যে এই সুস্থ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দলেরই লাভ, ‘আমরা অবশ্যই চাই একে অন্যের থেকে বেশি রান করতে। তবে ধরুন তামিম কিছু রান করল; তারপর আমি আরো বেশি রান করলাম; এতে লাভ তো দলেরই হচ্ছে, তাই না? আর সেটা নিয়মিতভাবে পারলে তো আমি একা হাতে দলকে ম্যাচ জেতাতে পারব। বিশ্বকাপের ফর্ম সাকিব ধরে রাখতে পারলে ওর যেমন ভালো হবে, তেমন দলেরও। একই কথা সৌম্য আর লিটনের মতো নতুনদের ক্ষেত্রেও খাটে।’

Advertisement