Beta

তুরস্কে ১১১২ ‘গুলেনপন্থি’র বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৯:৪১

রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছা অভিবাসন নেওয়া তুরস্কের মুসলিম নেতা ফেতুল্লাহ গুলেন। ছবি : রয়টার্স

দুই বছর আগের অভ্যুত্থানের নেপথ্যের লোকদের দমনে বড় ধরনের অভিযান চালু করেছে তুরস্ক সরকার। পুলিশের চাকরির পরীক্ষায় জালিয়াতির মামলায় ১ হাজার ১১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে মঙ্গলবার দেশটিতে বিশেষ এ অভিযান শুরু হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এমন খবর দিয়েছে।

অভিযুক্তদের প্রায় সবাই যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছা অভিবাসন নেওয়া তুরস্কের মুসলিম নেতা ফেতুল্লাহ গুলেনের সমর্থক। বলা হয়ে থাকে, গুলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানের সরকারের পতন ঘটাতে দুই বছর আগের ওই অভ্যুত্থানে নেপথ্যে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

সরকার বলছে, গত কয়েক দশকে নিরাপত্তা বাহিনীগুলো থেকে শুরু করে বিচার বিভাগ ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করে এমনকি চাকরির পরীক্ষাগুলোতে জালিয়াতি করে সরকারের ভেতর গুপ্তগোষ্ঠী তৈরিতে সচেষ্ট রয়েছেন গুলেন।

গত রোববার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেমান স্যোলু বলেন, গুলেন সমর্থকদের জন্য ‘বিরাট অভিযান’ অপেক্ষা করছে। তিনি বলেন, ‘দুর্বৃত্তদেরআর প্রতারণার সুযোগ দেওয়া হবে না। তাদের সমূলে ধ্বংস করা হবে।’

তুরস্কের রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌসুলির কার্যালয়ের এ অভিযানে এখন পর্যন্ত ১২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দেশটির ৭৬টি প্রদেশে এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদের মধ্যে কতজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন বা আদৌ আছেন কিনা তা জানা যায়নি। মঙ্গলবার শুরু হওয়া অভিযানটি মূলত ২০১০ সালে পুলিশের উপপরিদর্শক পদের চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অংশ হিসেবে চালানো হচ্ছে।

আড়াই বছর আগের ব্যর্থ অভ্যুত্থানে ২৬০ জনকে হত্যা করা হয়। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের এক সময়ের মিত্র ফেতুল্লাহ গুলেন অবশ্য অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। ১৯৯৯ সাল থেকে গুলেন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় স্বেচ্ছা অভিবাসনে রয়েছেন।

Advertisement