Beta

শ্রীলঙ্কায় নির্বাচনে জয় ক্ষমতাসীন দলের

১৮ আগস্ট ২০১৫, ২১:৩৫

অনলাইন ডেস্ক
শ্রীলংকার পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে সমর্থিত দল ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি (ইউএনপি)জয়ী হয়েছে। রনিলের পোস্টারের সামনে মিষ্টিমুখ করছেন দুই সমর্থক। ছবি এএফপি

শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে সমর্থিত দল ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি (ইউএনপি)। আর এতে পরাজিত হয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকশের দল-ইউনাইটেড পিপলস ফ্রিডম এলায়েন্স। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হারের পর এবার পার্লামেন্ট নির্বাচনেও হেরে গেলেন তিনি। 

আজ মঙ্গলবার দুপুরে দেশটির পার্লামেন্ট নির্বাচনে বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, ক্ষমতাসীন ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি জয়ী হয়েছে। তবে নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ২২৫ আসনের মধ্যে ১১৩ আসন প্রয়োজন হলেও রনিলের দল পেয়েছে ১০৬ আসন। যে কারণে জোট সরকার গঠন করতে হবে ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টিকে। এদিকে ইউনাইটেড পিপলস ফ্রিডম এলায়েন্স পেয়েছে ৯৫ আসন।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, নির্বাচনে নিজ দলকে ভোট দেওয়ায় দেশের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে। তিনি বলেছেন, ‘এখন আর জয়ী ও পরাজিত এ দুভাগে দেশকে বিভক্ত করার প্রয়োজন নেই। দেশের নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি সৃষ্টির জন্য আমাদের একটি পরিবারের মতো ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’  

নির্বাচনে পরাজয় মেনে নিয়ে মাহিন্দ্রা রাজাপাকশে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন বিলীন হয়ে গেছে।’ তবে নির্বাচনে তাঁরা ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা উল্লেখ করেন।

২০০৯ সালে রাজাপাকশে প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় বিচ্ছিন্নতাবাদী তামিল বিদ্রোহের অবসান ঘটিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ সিংহলিদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। এতে ৩৭ বছর ধরে চলা সংকটের অবসান ঘটে। তবে তিনি সংখ্যালঘু তামিলদের কাছে অভাজনে পরিণত হন। গত জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মাইথ্রিপালা সিরিসেনার কাছে তিনি বড় ব্যবধানে পরাজিত হন।

রাজাপাকশে স্বজনপ্রীতির অভিযোগে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছেন। তাঁর আত্মীয়দের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে বড় ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

ইউটিউবে এনটিভির জনপ্রিয় সব নাটক দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Advertisement