Beta

সাহিত্যের নোবেল ‘অব্যক্ত আবেগের রূপকার’ ইশিগুরোর

০৫ অক্টোবর ২০১৭, ১৭:৫৭ | আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০১৭, ১৯:০৬

অনলাইন ডেস্ক
জাপানি বংশোদ্ভূত যুক্তরাজ্যের সাহিত্যিক কাজুও ইশিগুরো। ছবি : বিবিসি

২০১৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পেলেন জাপানি বংশোদ্ভূত যুক্তরাজ্যের সাহিত্যিক কাজুও ইশিগুরো। 

পুরস্কার ঘোষণার সময়ে সুইডিশ একাডেমি কাজুও ইশিগুরোকে ‘অব্যক্ত আবেগের রূপকার’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে। ঔপন্যাসিকের প্রশংসায় নোবেল কমিটি বলে, ‘তিনি তাঁর প্রচণ্ড আবেগভরা উপন্যাসগুলোর মাধ্যমে আমাদের এই দুনিয়া সম্পর্কিত ভাব-কল্পনার নিচের অতল গহ্বরকে উন্মোচন করেছেন।’ 

আটটি উপন্যাস লিখেছেন কাজুও ইশিগুরো, যা ৪০টির বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। 

চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও লিখেছেন ইশিগুরো। তাঁর লেখা উপন্যাস ‘নেভার লেট মি গো’, ‘দ্য রিমেইনস অব দ্য ডে’, ‘দ্য হোয়াইট কাউন্টেস’ ও ‘দ্য স্যাডেস্ট মিউজিক ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’কে চলচ্চিত্রে রূপান্তরের জন্য চিত্রনাট্য তাঁর লেখা।

প্রতিভাবান এই সাহিত্যিক এর আগে বুকার পুরস্কার, অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার ও কস্টা বুক অব দ্য ইয়ার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন।

বিবিসি জানায়, জাপানের নাগাসাকি শহরে ১৯৫৪ সালে জন্ম কাজুও ইশিগুরোর। তাঁর বাবা ছিলেন একজন সমুদ্রবিজ্ঞানী। কাজুওর জন্মের পরই তাঁর পরিবার জাপান থেকে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমায়।  

কাজুও ইশিগুরোর বেড়ে ওঠা যুক্তরাজ্যের সারে ও কেন্ট শহরে। কেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ও দর্শন বিষয়ে পড়েছেন তিনি। এরপর ইস্ট এনগ্লিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিয়েটিভ রাইটিং বিষয়ে তিনি স্নাতকোত্তর করেছেন। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি শিক্ষক হিসেবে পেয়েছিলেন দুই বিখ্যাত ইংরেজ সাহিত্যিক ম্যালকম ব্রাডবুরি ও এঞ্জেলা কার্টারকে। তাঁর লেখালেখির ক্ষেত্রে এই দুই সাহিত্যিকের অবদানের কথা তিনি স্মরণ করেছেন বারবারই।

১৯৮২ সালে তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘এ পেইল ভিউ অব হিলস’ প্রকাশিত হয়। ১৯৮৯ সালে ‘দ্য রিমেইনস অব দ্য ডে’ উপন্যাসের জন্য তিনি বুকার পুরস্কার লাভ করেন।

ইউটিউবে এনটিভির জনপ্রিয় সব নাটক দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Advertisement