Beta

যান চলাচলে চার দেশ সম্মত, চুক্তি সই

১৫ জুন ২০১৫, ১৪:১৪ | আপডেট: ১৫ জুন ২০১৫, ১৭:০৮

জাহিদুর রহমান, থিম্পু থেকে
মোনাকোয় ৫৫তম মন্টে-কার্লো টেলিভিশন উৎসবে মার্কিন অভিনেত্রী আমান্ডা শুল। ছবিটি স্থানীয় সময় ১৫ জুন-২০১৫, সোমবার তোলা। ছবি : এএফপি

ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে বহুল আলোচিত বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযাগ সংক্রান্ত চুক্তিটি সই হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে থিম্পুর লা মেরিডিয়ান হোটেলে চার দেশের যোগাযোগমন্ত্রীদের উপস্থিতিতে এ চুক্তি সই হয়।

এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের মধ্যে যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে আর কোনো বাধা থাকল না।  

চুক্তির পর বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, আসছে অক্টোবরেই চার দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে মোটর শোভাযাত্রা। আর সে শোভাযাত্রার পরেই খুলে যাবে ইউরোপের আদলে গড়া আঞ্চলিক যোগাযোগের এ দরজা।

আজ সকালে চার দেশের যোগাযোগমন্ত্রী ও সচিবদের উপস্থিতিতে মন্ত্রিপর্যায়ের এ বৈঠক উদ্বোধন করেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে।

গত ৮ জুন যাত্রীবাহী, পণ্যবাহী ও ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলের খসড়া চুক্তির প্রস্তাব অনুমোদন দেয় বাংলাদেশের মন্ত্রিসভা। সেদিন ‘মোটর ভেহিকেলস অ্যাগ্রিমেন্ট ফর দ্য রেগুলেশন অব প্যাসেঞ্জার, পারসোনাল অ্যান্ড কার্গো ভেহিকুলার ট্রাফিক বিটুইন বাংলাদেশ, ভুটান, ইন্ডিয়া অ্যান্ড নেপাল’-এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘এটি বিবিআইএন চুক্তি নামে অভিহিত হবে। আজ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এই খসড়া মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করে।’

সচিব আরো বলেন, ‘এটিকে চার দেশীয় ট্রানজিট এবং ট্রান্সশিপমেন্ট বলতে পারেন। তবে এখানে সার্কভুক্ত দেশগুলো পর্যায়ক্রমে চাইলে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে।’

‘ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট এখন কোনো নেতিবাচক পরিভাষা নয়। এই চুক্তি থেকে কানেকটিভিটি বাড়বে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর একান্ত উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় এটি হচ্ছে। এর রুটগুলো সরাসরি ভুটানে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে ঠিক করা হবে,’ যোগ করেন মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা।

 

ইউটিউবে এনটিভির জনপ্রিয় সব নাটক দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Advertisement