Beta

নোয়াখালী-২ আসন

কাজী মফিজুর রহমানকে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়ার দাবি

০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ২২:৫১

নিজস্ব প্রতিবেদক
সেনবাগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। ছবি : এনটিভি

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ি আংশিক) আসনে বিএনপি থেকে কাজী মফিজুর রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে এবং  বিএনপিনেতা জয়নুল আবদিন ফারুককে বয়কট ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে সেনবাগে বিক্ষোভ মিছিল ও  সমাবেশ করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।

আজ বুধবার সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের কানকির হাট পশ্চিম বাজার থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক হয়ে নামার  বাজারে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মধ্যদিয়ে শেষ হয়।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবদুল আল মামুন, সেনবাগ পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক বাবুল, বিএনপি নেতা ভিপি মফিজ, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হারুনসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতারা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘বিএনপিনেতা জয়নুল আবদিন ফারুক নারী লোভী, দুর্নীতিবাজ ও আত্মস্বীকৃত চাঁদাবাজ।’ তাই সেনবাগে ফারুককে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন এবং আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে কাজী মফিজুর রহমানকে প্রার্থী ঘোষণা করার অনুরোধ জানান।

এর আগে গত ২৮ নভেম্বর বিএনপির দুর্গ হিসেবে খ্যাত নোয়াখালী-২ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কাজী মফিজুর রহমান। উভয়ের মনোয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কাজী মফিজুর রহমান এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘আমি উপজেলা চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় এলাকার জন্য কাজ করেছি। একজন সৎ ও দক্ষ মানুষ হিসেবে এলাকায় আমার সুনাম রয়েছে। এলাকাবাসী সৎ মানুষ হিসেবে আমাকে মূল্যায়ন করে। আমি মনে করি আমি মনোনয়ন পাব। কেন্দ্র থেকেও আমি নির্দেশনা পেয়েছি।’

মফিজুর রহমান বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে এলাকায় বেকার যুবকদের জন্য কারিগরি টেকনিক্যাল কলেজ স্থাপন করব। মদ ও জুয়া দূর করব। এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়নের পাশাপাশি একটি আদর্শ মডেল উপজেলা হিসেবে তৈরি করব।’

এদিকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিএনপি থেকে ধারাবাহিকভাবে জয়ী হয়েছেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নেওয়ায় মুক্তিযুদ্ধের পর দ্বিতীয়বারের মতো হাতছাড়া হয় আসনটি। বিএনপি থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন জয়নুল আবদিন ফারুক। তাঁর পক্ষে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ মনোয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে এনটিভি অনলাইনকে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত এ আসনে ১৯৯১ সাল থেকে মানুষ আমাকে নির্বাচিত করে আসছে। এবারও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।’

Advertisement