Beta

মোহাম্মদপুরে লাইসেন্সহীন ১৪ হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ

১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:৩৮ | আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২২:১০

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিপরীত পাশে লাইসেন্সবিহীন ১৪টি হাসপাতাল দ্রুত বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। একইসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে এই নির্দেশ বাস্তবায়নের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও আহমেদ সোহেলের বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ জানান।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের সভাপতি অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

এ বিষয়ে মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘গত এপ্রিল মাসে মোহাম্মদপুরে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের বিপরীত পাশে বাবর রোড ও খিজির রোড সংশ্লিষ্ট এলাকায় লাইসেন্সবিহীন হাসপাতালের প্রতিবেদন একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। কিন্তু আইন অনুসারে লাইসেন্স ছাড়া হাসপাতাল পরিচালনা একেবারেই অবৈধ এবং তা পরিচালনা করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ কারণে জনস্বার্থে, গত ৯ সেপ্টেম্বর আমরা একটি রিট মামলা করি। আজকে এর ওপর শুনানি হয়েছে। শুনানি নিয়ে আদালত ১৪টি হাসপাতাল দ্রুত বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

এ ছাড়া লাইসেন্স বিহীন হাসপাতাল পরিচালনা করা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং যারা এগুলো পরিচালনা করছে তাদের বিরুদ্ধে কেন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন উচ্চ আদালত।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

১৪টি হাসপাতাল ও ক্লিনিক হচ্ছে- বিডিএম হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সেবিকা জেনারেল হাসপাতাল, জনসেবা নার্সিং হোম অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লাইফ কেয়ার নার্সিং হোম, রয়্যাল মাল্টিস্পেশালিটি হসপিটাল, নবাব সিরাজ উদ-দৌলা মানসিক ও মাদকাসক্ত হাসপাতাল, মনমিতা মানসিক হাসপাতাল, প্লাজমা মেডিকেল সার্ভিস অ্যান্ড ক্লিনিক, শেফা হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইসলামিয়া মানসিক হাসপাতাল, ক্রিসেন্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স, মক্কা-মদিনা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক, নিউ ওয়েল কেয়ার হাসপাতাল ও বাংলাদেশ ট্রমা স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

এর আগে গত ২০ এপ্রিল একটি দৈনিক পত্রিকায় ‘রাজধানীতে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান : ৫০০ মিটারে ২৬টি, ১৪টিই অবৈধ হাসপাতাল’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরে সে প্রতিবেদন সংযুক্ত করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে রিট দায়ের করা হয়। সে রিটের শুনানি নিয়ে আদালত আজ এ আদেশ দেন।

ইউটিউবে এনটিভির জনপ্রিয় সব নাটক দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Advertisement