Beta

ভৈরবে নৌমন্ত্রী বললেন

কোটা সংস্কারের নামে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করতে চায়

১৯ জুলাই ২০১৮, ১৯:১৬

ভৈরব আন্তজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন আয়োজিত জনসভায় নৌমন্ত্রী শাজাহান খানসহ অতিথিরা। ছবি : এনটিভি

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি এ দেশে রাজনীতি করতে পারবে না। সরকার ও বিরোধী দলে যে দলই থাকুক, উভয়দলই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি হতে হবে। কোটা সংস্কারের নামে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করতে চায় ষড়যন্ত্রকারীরা। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা চাকরি না পেলে স্বাধীনতাবিরোধীদের সন্তানরা এ দেশে চাকরি পেয়ে দেশটাকে আবার পাকিস্তান বানাতে চাইবে। এই ষড়যন্ত্র রুখতে হবে।

ভৈরব আন্তজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন আয়োজিত শ্রমিক, পেশাজীবী, মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার লক্ষ্যে এক জনসভায় নৌমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌর টার্মিনালে ওই জনসভার আয়োজন করা হয়।

নৌমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, মুক্তিযোদ্ধার কোটায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের চাকরি পেতে হবে। তা না হলে এ দেশে স্বাধীনতার চিন্তা-চেতনা ধ্বংস হয়ে যাবে। সরকারি চাকরিতে স্বাধীনতাবিরোধীরা ঢুকে পড়লে এ দেশ রাজাকারদের দখলে চলে যাবে। একাত্তর সালের পর থেকে স্বাধীনতাবিরোধীরা মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ডাকেই এ দেশটা স্বাধীন হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন করছেন।

স্বাধীনতাবিরোধীদের রুখতে হবে। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে নৌমন্ত্রী বলেন, বিএনপি বাস পুড়িয়ে, গাড়ি পুড়িয়ে, মানুষ হত্যা করে ক্ষমতায় যেতে চায়। তারা রাজাকারদের মন্ত্রী বানিয়ে তাদের গাড়িতে এ দেশের পতাকা তুলে দিয়েছিল। এখন তারা বলে স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে। এ যেন ভূতের মুখে রাম রাম।

ভৈরব উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ও বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মির্জা মো. সুলাইমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান ইসমত কাদীর গামা, সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন মিয়া, জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম চৌধুরী, ভৈরব পৌরসভার মেয়র, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মো. সায়দুল্লাহ মিয়া, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম বাকী বিল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক আতিক আহমেদ সৌরভ।

ইউটিউবে এনটিভির জনপ্রিয় সব নাটক দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Advertisement