Beta

পদত্যাগের ইচ্ছেপ্রকাশ রাহুলের, বিরত করলেন নেতারা

২৫ মে ২০১৯, ১৪:৩৬

কলকাতা সংবাদদাতা

এবারেও লোকসভা নির্বাচনে ভরাডুবি। সংসদে বিরোধী দলের মর্যাদাটুকুই ধরে রাখতে পারল না ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। তার উপর উত্তরপ্রদেশে নিজের ঘরেই স্মৃতি ইরানির কাছে হেরে গেলেন দলের সভাপতি রাহুল গান্ধী। উত্তরপ্রদেশে একমাত্র মুখরক্ষা করেছে সোনিয়া গান্ধীর রায়বেরেলি।

পরাজয়ের দায় নিয়ে এরইমধ্যে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি রাজ বব্বর। আরো দুজন নেতা পদত্যাগ করার পর চাপ বেড়েছে রাহুল গান্ধীর। এর মধ্যে আজ শনিবার সকালে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করলেন রাহুল গান্ধী। তবে রাহুলকে বিরত করলেন কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতারা।   

নয়াদিল্লিতে সকাল ১১টা থেকে নির্বাচনী পর্যালোচনায় শুরু হয়েছে কংগ্রেসের কার্যকরী কমিটির (ওয়ার্কিং কমিটি) বৈঠক। এতে যোগ দিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, রাজ্যসভার দলনেতা গুলাম নবি আজাদ, মল্লিকার্জুন খাড়গে, পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরেন্দ্র সিংসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। নির্বাচনে হার নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ চলছে বৈঠকে। নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েও কেন নির্বাচনে কাঙ্ক্ষিত ফল মিলল না, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।

কংগ্রেসের দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তাঁর মুখকে সামনে রেখে ভোটে লড়াই করেছিল শতাব্দী প্রাচীন কংগ্রেস দল। কিন্তু মোদির সামনে টিকতেই পারেননি রাহুল গান্ধী। ৩০৩টি আসন নিয়ে প্রত্যাবর্তন করেছেন মোদি। আর মাত্র ৫২টি আসনে থেমে গেছে কংগ্রেস। রাহুল পদত্যাগের ইচ্ছে প্রকাশের পর তাঁকে বিরত করেন কংগ্রেস নেতারা। সভাপতি হিসেবে রাহুলকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন তাঁরা।

ভারতের মধ্যপ্রদেশ, ছত্রিশগড় ও রাজস্থান রাজ্যে মাসখানেক আগে বিধানসভা নির্বাচনে জেতার পরও লোকসভায় কংগ্রেসের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন ভোটাররা। এ নিয়েও এদিন ওয়ার্কিং কমিটিতে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।  

Advertisement