Beta

ইন্দোনেশিয়ায় ফেরি ডুবি, ১৮০ জনেরও বেশি নিখোঁজ

২০ জুন ২০১৮, ১৬:০২

অনলাইন ডেস্ক
নিখোঁজ যাত্রীদের জন্য লেকের পাড়ে অপেক্ষা করছে স্বজনরা। ছবি : সিএনএন

ইন্দোনেশিয়ার ওই ফেরিতে ধারণ ক্ষমতা ছিল সর্বোচ্চ ৬০ জনের। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে যাত্রী ছিল দুই শতাধিক। গত সোমবার সন্ধ্যায় উত্তর সুমাত্রার একটি লেকে ডুবে যায় ওই ফেরি। আজ বুধবার পর্যন্ত ১৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে এখন পর্যন্ত ১৮০ জনের বেশি নিখোঁজ আছে। উত্তর সুমাত্রার তোবা নামের একটি লেকে ডুবে যায় ফেরিটি।

সিএনএন জানায়, ‘দ্য সিনার বেনগুন’ নামের ফেরিটি ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়ে রওনা দেয়। ওই ফেরির যাত্রীদের অধিকাংশই সামোসির নামের দ্বীপে ঈদুল ফিতর উদযাপন করে নিজেদের বাড়ি ফিরছিল। বৈরী আবহাওয়ায় ডুবে যায় ফেরিটি। ধারণা করা হচ্ছে অধিকাংশ যাত্রী ফেরির ভেতরের কামরায় আটকা পড়ে।

রুদি উইবো নামে এক যাত্রী বলেন, ‘ডু্বে যাওয়ার সময় আমি পানিতে ঝাঁপ দেই।’ সামোসির দ্বীপে নয় বন্ধুকে নিয়ে বেড়াত যান রুদি। তাঁর ওই নয় বন্ধুই ডুবে গেছে বলে জানান তিনি। রুদি জানান, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সবাই ফেরির সামনের দিকে ছিল। ভেতরে তিল ধারণের জায়গা ছিল না।

রুদি বলেন, ‘কামরার ভেতরের যাত্রীরা জানালা ভাঙতে পারছিল না।’

ইন্দোনেশিয়ার ‘জরুরি সেবা বিভাগে’র ধারণা যাত্রীরা ওই ফেরিতেই আটকে আছে। ওই লেকের গভীরতা এক হাজার ৬৫৭ ফুট।

ফেরিতে ঠিক কতজন যাত্রী ছিল তাও জানা নেই উদ্ধার কর্মীদের। স্বজনদের খুঁজতে লেকের পাড়ে অপেক্ষা করা মানুষদের কাছ থেকে জেনে ধারণা করা হচ্ছে যাত্রীর সংখ্যা।

ফেরিটির ডুবে যাওয়ার কারণ এখনো জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে খারাপ আবহাওয়া ও অতিরিক্ত যাত্রী বহন। সিমালুনগুন রিজেন্সির পুলিশ প্রধান লিবার্টি পানজাইতান জানান, এতে ‘ফেরির ক্যাপ্টেনে’র ভুল ভ্রান্তি আছে কি না তাও দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ফেরির ক্যাপ্টেনকে জীবিত পাওয়া গেছে এবং তাঁকে আটক করা হয়েছে।’

ইউটিউবে এনটিভির জনপ্রিয় সব নাটক দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Advertisement