ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে বাংলায় কথা বলা রোবট

০৮ ডিসেম্বর ২০১৭, ২১:৫১

রোবট থেকে শুরু করে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি, এরকম অসংখ্য নিত্যনতুন প্রযুক্তি এসেছে পঞ্চমবারের মতো আয়োজিত এবারের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড মেলায়। নিজেদের মেধা খাটিয়ে এসব প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে দেশে তরুণ প্রজন্ম। আর এই তরুণদের হাত ধরেই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বে বলে মনে করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী।

এদিকে শুক্রবার ছুটির দিনে প্রযুক্তি মেলায় ছিল উপচে পড়া ভিড়।

তিন তরুণের এক বছরের সাধনায় বন্ধু নামের এই রোবট কথা বলতে শুরু করেছে। শুধু ইংরেজি নয়, বাংলায়ও কথা বলতে পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রোবটটি, যা স্থান পেয়েছে এবারের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড মেলায়।

রোবটটির উদ্ভাবনকারী প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ইন্টভিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, সেই একমাত্র আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, যে বাংলা প্রসেস করতে পারে, সরাসরি বাংলা রিড করতে পারে।

ফসলের রোগবালাই দমন কিংবা মাটি পরীক্ষার জন্য কষ্ট করে এখন আর দূরে যেতে হবে না, ক্ষেতে বসেই কৃষকরা পাবেন সঠিক পরামর্শ। এবারের মেলায় এমন প্রযুক্তি নিয়ে এসেছেন বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।

মেলায় দেশের তরুণ-তরুণীরা এরকম শতাধিক নিত্য-নতুন প্রযুক্তি নিয়ে এসেছেন, যা আবিষ্কার করেছেন নিজেদের মেধা খাটিয়ে।

এদিকে, মেলায় আয়োজিত এক সেমিনারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী তুলে ধরেন তথ্য-প্রযুক্তি খাতে নতুন প্রজন্মের নানা সম্ভাবনার কথা।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন,  ‘আমরা সাইবার সিকিউরিটি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বিগডাটা এনালিটিকস,  ইন্টারনেট অব থিংক এই চারটা স্পেশাল সেক্টরে অন্ততপক্ষে চার হাজার এক্সপার্ট তৈরি করব ২০২১ সালের মধ্যে। যার মধ্য দিয়ে বিশ্বের কাছে জানান দেব যে, উই আর রেডি ফর টুমোরো।’

ছুটির দিনে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড মেলায় অন্য দিনের তুলনায় ভিড় একটু বেশি ছিল। আর প্রযুক্তি বিষয়ে তরুণদের এই আগ্রহের দৃশ্যই বলে দেয় আগামী দিনে ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনে কেন্দ্রের মূল হলে তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ে শিশুদের আগ্রহ বাড়াতে আয়োজন করা হয় বিশেষ অনুষ্ঠানের।