Beta

বিষণ্ণতা : কখন চিকিৎসা প্রয়োজন?

২৬ মে ২০১৭, ১৪:৫৬ | আপডেট: ২৬ মে ২০১৭, ১৪:৫৯

ফিচার ডেস্ক

বর্তমানে বিষণ্ণতা বেশ প্রচলিত সমস্যা হয়ে উঠছে। এটি একজন ব্যক্তির কর্মক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। এতে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই এটি থেকে উত্তরণে কখনো কখনো সাইকোথেরাপি প্রয়োজন।    

এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ২৭৫০তম পর্বে এ বিষয়ে কথা বলেছেন সেলিনা ফাতেমা বিনতে শহিদ। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : এ ক্ষেত্রে পরিবারের ভূমিকা কী হবে? কখন একজন প্রফেশনালের কাছে নিয়ে যেতে হবে বলে আপনি মনে করেন?

উত্তর : এ বিষয়ে আসলে সচেতনতার অনেক অভাব। আমরা মানসিক সমস্যা বা বিষণ্ণতা হলে মনে করি ব্যক্তির দুর্বলতা। অনেক সময় দেখা যায় ব্যক্তিকে দোষারোপ করি। সবাই পারছে তুমি কেন পারছ না? এ বয়সে কিসের বিষণ্ণতা? তুমি ঘুরে আসো, কারো সঙ্গে মেশো। এগুলোও ঠিক আছে। তবে এগুলোই সমাধান নয়।

যখন আমরা দেখব দিনের পর দিন ব্যক্তির কাজের ক্ষতি হচ্ছে, সে স্কুলে বা কলেজে যেতে চাইছে না, তার ধারাবাহিকভাবে মুড অফ থাকছে, অল্পতেই কেঁদে ফেলছে, তখন আমাদের বুঝতে হবে সে বিষণ্ণতায় রয়েছে। অবশ্যই তার সঙ্গে কথা বলতে হবে। প্রয়োজন হলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যেতে হবে। সাইকোথেরাপির প্রয়োজন হলে সেখানেও নিয়ে যেতে হবে।

আমাদের দেশে তো আসলে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নেওয়াটাই একটি স্টিগমার মধ্যে রয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্যের কোনো সমস্যা মানেই যেন পাগল হয়ে যাওয়া। এখন বিষণ্ণতাকে কিন্তু স্বাস্থ্যের বিষয় হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছে। ম্যানটাল হেলথ (মানসিক স্বাস্থ্য) হিসেবে আলাদা করে দেখা হচ্ছে না। কারণ, বিষণ্ণতার কারণে অনেক উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। একজন মানুষ যখন বিষণ্ণতার কারণে কাজে যেতে পারছে না, সে কিন্তু জাতীয়ভাবে বোঝা হয়ে যাচ্ছে। অফিসে দেরি করে যাওয়া, দিনের পর দিন না যাওয়া, এগুলোতে আমাদের অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

Advertisement