Beta

‘দুই বছর উন্নয়ন করেছি, পাস করলে বাকি কাজ সম্পন্ন করব’

০৭ অক্টোবর ২০১৯, ১৬:১২ | আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০১৯, ১৬:১৫

বিনোদন প্রতিবেদক

‘গত দুই বছর আমরা শিল্পী সমিতি বা শিল্পীদের অনেক ধরনের উন্নয়ন করেছি। অথচ কয়েক দিন ধরেই নানা অভিযোগ করে আমাদের নিয়ে খবর প্রকাশ করা হচ্ছে কিছু গণমাধ্যমে। নিজের মতো সমীকরণ তুলে ধরা হচ্ছে। যেখানে আমাদের বক্তব্যও নেই। দুই বছরে আমাদের উন্নয়ন কি কারো চোখে পড়ছে না?’

আজ সোমবার এনটিভি অনলাইনকে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান। তিনি বলেন, ‘গত দুই বছর উন্নয়ন করেছি, অনেক কাজই বাকি আছে। আগামীতে পাস করলে বাকি কাজ সম্পন্ন করব।’

বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির ভোটার সংখ্যা ছিল ৬২৪ জন। আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ২০১৯-২১ সালের নির্বাচন। ওই নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৪৪৯ জন। বর্তমান কমিটি ১৮১ জনকে বাদ দেয় ভোটার তালিকা থেকে। তাঁদের সহযোগী সদস্য করা হয়। আবার একই সময়ে ভোটার তালিকায় যুক্ত হয় নতুন ছয়টি নাম। এমন বিষয় নিয়ে জায়েদ বলেন, ‘কেন বাদ দেওয়া হয়েছে, তার উত্তর কি আমার কাছে জানতে চেয়েছেন কেউ?’

জায়েদ আরো বলেন, ‘যে কাজ করে তার ভুল হতেই পারে। আমরা সারা বছরই সমিতি নিয়ে কাজ করেছি। যেহেতু আমরা মানুষ, তাই এর মধ্যে কিছু ভুল হতেই পারে। এখন দেখছি শুধু ভুলগুলো তুলে ধরা হচ্ছে কিছু গণমাধ্যমে। আমরা যদি কোনো কাজ না করতাম, তা হলে কোনো ভুলই হতো না। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, আপনারা আমাদের কাছে জানতে চাইলে আমরা এর উত্তর দেব। আর কাজের বিষয়ে যদি বলি, আমরা গত দুই বছরের মতো কাজ করে যাব। জানি কিছু ভুল হতে পারে। আপনারা ভুল ধরিয়ে দিন, আমরা শুধরে নেব।’

আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। ২১টি পদের বিপরীতে ২৬টি ফরম জমা পড়েছে। যাচাই-বাছাইয়ের পর গত শনিবার চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশনার।

এর মধ্যে সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় এ পদে জ্যাকি আলমগীর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। সাইফুল ইসলাম চলচ্চিত্র নৃত্যপরিচালক সমিতির সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এ জন্য তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়।

এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সুব্রত ও কোষাধ্যক্ষ পদে ফরহাদের বিপরীতে কোনো প্রার্থী না থাকায় তাঁরাও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন।

সংগঠনটির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের শুরু থেকেই মিশা-জায়েদ ও মৌসুমী-তায়েব প্যানেলের নাম শোনা যাচ্ছিল। দুই প্যানেল থেকে মনোনয়নপত্র কিনলেও শেষ পর্যন্ত মৌসুমী-তায়েব প্যানেলের শুধু মৌসুমী স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়ছেন।

তা ছাড়া সহসভাপতি পদে নানা শাহ, সাধারণ সম্পাদক পদে ইলিয়াস কোবরা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে সাঙ্কু পাঞ্জা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

Advertisement