বুলবুল আহমেদকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করবেন ঐন্দ্রিলা

১৬ জুলাই ২০১৯, ১৪:১৫

বিনোদন প্রতিবেদক
বুলবুল আহমেদ ও মেয়ে ঐন্দ্রিলা আহমেদ। ছবি : সংগৃহীত

মডেল-অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা আহমেদ বাবা বুলবুল আহমেদকে নিয়ে নির্মাণ করেছেন প্রামাণ্যচিত্র ‘এক জীবন্ত কিংবদন্তির কথা’ এবং লিখেছেন বায়োগ্রাফি ‘একজন মহানায়কের কথা’। এবার তিনি বাবার জীবনী নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করবেন। গতকাল বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে এমন কথা এনটিভি অনলাইনকে জানিছেন তিনি।

ঐন্দ্রিলা আহমেদ বলেন, ‘আমার বাবা একজন ব্যাংকার থেকে মহানায়ক হয়েছেন। বাবার জীবনটা আসলে চলচ্চিত্রের মতোই ছিল। বাবার ইচ্ছাতে আমি চলচ্চিত্র নিয়ে পড়াশোনা করেছি। এবার তাঁর জীবনী নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চাই। এরই মধ্যে আমি চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

ঐন্দ্রিলা আরো বলেন, “বাবার বর্ণাঢ্য অভিনয় জীবন নিয়ে প্রচুর গবেষণা করেছি। নির্মাণ করেছি প্রামাণ্যচিত্র ‘এক জীবন্ত কিংবদন্তির কথা’। এরই মধ্যে বাবাকে নিয়ে বায়োগ্রাফি লিখেছি ‘একজন মহানায়কের কথা’। এবার চলচ্চিত্র শুরু করব।”

২০১০ সালের ১৫ জুলাই পৃথিবী ছেড়ে চলে যান বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়ক বুলবুল আহমেদ। তিনি ঢাকার আগামাসিহ লেনে জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস নিয়ে মাস্টার্স করা বুলবুল আহমেদের মেধাবী ছাত্র হিসেবে বেশ সুনাম ছিল। মামাতো ভাই গায়ক প্রবীণ নাট্য ও চলচ্চিত্রশিল্পী নাজমুল হুদার হাত ধরে ১৯৫৮ সালে মঞ্চনাটক দিয়ে অভিনয় জগতে পা রাখেন। '৬৮ সালে টেলিভিশনে এবং দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ সালে ইউসুফ জহির পরিচালিত ‘ইয়ে করে বিয়ে' ছবির মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক ঘটে।

এর আগে তিনি জনতা ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করেন। বুলবুল আহমেদের প্রকৃত নাম তোবাররুক আহমেদ। ১৯৭৭ সালে আলমগীর কবির পরিচালিত ‘সীমানা পেরিয়ে' ছবিতে অভিনয় করে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। ১৯৭৮ সালে কাজী জহির পরিচালিত ‘বধূ বিদায়' ছবিতেও বুলবুল আহমেদ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। নিজের পরিচালিত ‘রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত' ছবির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।