‘সজলকে দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন এভ্রিল’

৩০ ডিসেম্বর ২০১৭, ১৭:৩৩

জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৭’ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে আলোচিত হয়েছিলেন তিনি। এভ্রিল ছোটবেলা থেকেই নাকি অভিনেতা সজলের ভক্ত।  
সম্প্রতি নিজের প্রিয় এই অভিনেতার সঙ্গে নাটকে জুটি বেঁধেছেন তিনি। নাটকের নাম ‘এমনও তো ভালোবাসা হয়’। আহসান হাবিব সকালের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন জোনায়েদ বিন জিয়া। 

এর  আগে স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি ও মিউজিক ভিডিওতে কাজ করলেও কখনো নাটকে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা এভ্রিলের হয়নি বলে জানান তিনি। 

অভিনয়ের প্রথম দিন সজলকে দেখেই নাকি উচ্ছ্বসিত হয়ে গিয়েছিলেন এভ্রিল। এনটিভি অনলাইনকে এমনটিই জানালেন পরিচালক জোনায়েদ বিন জিয়া।

জিয়া আরো বলেন,‘ এভ্রিল সজলের অনেক বড় একজন ভক্ত। আমরা বৃহস্পতি ও শুক্রবার নাটকটির শুটিং করেছি। শুটিংয়ের প্রথম দিন সেটে এসে সজলকে দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন এভ্রিল।’

এভ্রিল অভিনয় কেমন করলেন জানতে চাইলে জিয়া বলেন, ‘নবীন অভিনেত্রী হিসেবে এভ্রিল  খারাপ করেননি। একটু সময় বেশি নিয়ে আমরা কাজ করেছি। সজল ও অন্য শিল্পীরা এভ্রিলকে অনেক সহযোগিতা করেছেন। আশা করছি, নাটকটি দর্শক অনেক পছন্দ করবে।’

নাটকটির শুটিং রাজধানীর  উত্তরার বিভিন্ন লোকেশনে সম্পন্ন হয়েছে। শুটিংয়ের অবসরে উত্তরার একটি লেকের ধারে সজলকে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে গিয়েছিলেন তাঁর কিছু ভক্ত। সজলের কাছে এসে সেলফি তোলার  আবদার করেন তাঁরা। সজলও ভক্তদের অনুরোধ রাখেন। এরপর চলে যান শট দিতে। এভ্রিলের অভিনয় নিয়ে আশাবাদী সজল। জানালেন, ‘এভ্রিলের আত্মবিশ্বাস আছে। চেষ্টা করলে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে।’

নাটকটিতে সজল আর এভ্রিল ছাড়াও অভিনয় করেছেন পাভেল ইসলাম।  নাটকে তাঁদের চরিত্রের নাম যথাক্রমে সাহিল, স্নেহা ও রিয়াদ। 

নাটকে মানসিক এক রোগীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন সজল। এ প্রসঙ্গে সজল বলেন, ‘নাটকের নাম রোমান্টিক। গল্পটাও রোমান্টিক। তবে গল্পের অনেক মোড় আছে।

আমার চরিত্রে ভিন্নতা দেখতে পাবেন দর্শক। আমি কেন মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি, এটাই নাটকে টুইস্ট।’

পাভেল ইসলাম জানান, সজলের সঙ্গে জুটি বেঁধে অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। এই নাটকে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা চমৎকার।

অন্যদিকে এভ্রিল  বলেন, ‘নাটকে আমার অভিনয়ের যাত্রা শুরু হলো। ভবিষ্যতে অভিনয় করার ইচ্ছা আমার রয়েছে।’

‘এমনও তো ভালোবাসা হয়’ নাটকটি শিগগিরই একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হবে বলে জানান পরিচালক জোনায়েদ বিন জিয়া।