Beta

একই দিনে দুই শহরে ভর্তি পরীক্ষা, উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরা

২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:৪৯

অনলাইন ডেস্ক

একই দিনে রাজধানীর মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) ও খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারিত হয়েছে। আর এ নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

জানা গেছে, আগামী ১৮ অক্টোবর নির্ধারিত হয়েছে এ দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা।

এ ব্যাপারে ভর্তিচ্ছু এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘পরীক্ষার্থীদের কাছে কুয়েট ও এমআইএসটি সমান গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। কিন্তু একই দিনে দুই জায়গায় পরীক্ষার তারিখ পড়ায় এখন তাঁদের যেকোনো একটি ছেড়ে দিতে হবে।’

যেহেতু দুটি প্রতিষ্ঠান দুই শহরে, তাই শিক্ষার্থীরা কেবল একটিতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবে। অনেক শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি ফরম কিনে জমা দিলেও এখন তাঁদের যেকোনো একটিতে পরীক্ষা দিতে হবে। এতে শিক্ষার্থীরা মেধা যাচাইয়ের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।

এদিকে যোগ্যতা অনুযায়ী প্রত্যেক শিক্ষার্থীকেই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন অভিভাবকরা। তাঁরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচির মধ্যে অবশ্যই সমন্বয় থাকা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে এমআইএসটির ভর্তি পরীক্ষা কমিটির প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে, এ বিষয়ে কথাবার্তা চলছে। সমন্বয় করে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পুনর্নির্ধারণ করা যায় কি না, সে প্রচেষ্টা চলছে।’

অন্যদিকে, কুয়েটের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. তায়েবুর রহমান জানান, ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি যেন একই দিনে না পড়ে, সেজন্য কুয়েটের পক্ষ থেকে এমআইএসটি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কুয়েট আগে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করেছিল। আর বিশ্ববিদ্যালয় কাউন্সিলই ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করে।

একটি সূত্র জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি সমন্বয় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। ইউজিসির সদিচ্ছা থাকলে হাজার হাজার ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে। তা না হলে পছন্দের বিষয়ে পড়াশোনা করা থেকে বঞ্চিত হবে তারা। যার ফলে পছন্দের বাইরের কোনো বিষয়ে ভর্তি হতে বাধ্য হবে শিক্ষার্থীরা। যা তাদের উচ্চশিক্ষার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।

কুয়েটে এক হাজার ৬৫ আসনের বিপরীতে ভর্তি যুদ্ধে নামবে ১২ হাজার ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। অপরদিকে, এমআইএসটির ৫৭০ আসনে ভর্তি হতে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী।

Advertisement