জবি শিক্ষার্থী আরিফুলের মৃত্যুর কারণ জানতে পুলিশের কাছে চিঠি

১৪ আগস্ট ২০১৮, ২৩:০৯

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়র (জবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলামের মৃত্যুরহস্য উদঘাটনের জন্য পুলিশের কাছে চিঠি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সোমবার জবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত চিঠিটি ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার বরাবর দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, নিহত আরিফুল ইসলাম গত ৩০ জুলাই সোমবার সকাল ১০টায় কেরানীগঞ্জের ইস্পাহানী মহল্লা থেকে পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে টিউশনির উদ্দেশে বের হন। এরপর বেলা ১১টার দিকে একজন মাঝি পানিতে ভাসতে থাকা ব্যাগে আরিফুলের মোবাইল ও মানিব্যাগ কুড়িয়ে পান। বেলা ১টার দিকে দুজন নারী ও তাঁর ভাই কল করলে মাঝি তাঁদের মোবাইল ফোনটি উদ্ধারের ঘটনা জানান।

পরবর্তীতে নিহত আরিফুলের ভাই ও বন্ধুরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর আরিফুলকে না পেয়ে কেরানীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরের দিন মঙ্গলবার বিকেলে সদরঘাটের লালকুঠি ঘাটের পাশে নদীর মাঝখানে ভাসমান অবস্থায় আরিফুলের লাশ পাওয়া যায়। আরিফুলের মৃত্যুরহস্য নিয়ে ফেসবুকে গুজব ছড়ানো হচ্ছে এবং তাঁর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে আন্দোলন চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘আরিফুলের মৃত্যু স্বাভাবিক নাকি হত্যাকাণ্ড তা অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে খতিয়ে দেখার জন্য ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে চিঠিটি দেওয়া হয়েছে।’

নিহত আরিফুল ইসলাম ২০১৪-১৫ বর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেন। তিনি বিভাগে স্নাতক (সম্মান) প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। আরিফুলের গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মারুফদাহ এলাকায়। তাঁর বাবার নাম মইনুদ্দিন।