Beta

সব উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন বাস্তবায়নের ঘোষণা

১৩ জুন ২০১৯, ১৯:৪১

নিজস্ব প্রতিবেদক

আসছে অর্থবছরে দেশের সব উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনে এ বিষয়ে জানানো হয়। প্রথমে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বাজেট বক্তব্য শুরু করলেও তিনি অসুস্থ থাকায় বাজেটের বাকি অংশ পড়ে শোনান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২৮ হাজার ৫১ কোটি টাকা, যা গেল অর্থবছরের চেয়ে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা বেশি। এবারের বরাদ্দের বড় একটি অংশ ব্যয় হবে বিদ্যুতের সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন নির্মাণ ও গ্যাস অনুসন্ধানে।

২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে আসছে বর্তমান সরকার। বরাদ্দের তালিকায় বরাবরই উপরের দিকে থেকেছে এই খাত। এরই ধারাবাহিকতায় এবারের বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ মিলেছে ২৮ হাজার ৫১ কোটি টাকা।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বর্তমান সরকার কাজ করছে বলে তুলে ধরা হয় বাজেট বক্তব্যে। যে সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের সমস্যার কারণে পর্যাপ্ত ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ করা যাচ্ছে না, গেল দুই বারের মতো এবারও সেই লাইন নির্মাণের ওপরই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বাজেট বক্তব্যে। বর্তমানের সাড়ে ১১ হাজার সার্কিট কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন ২০৩০ সাল নাগাদ ২৮ হাজার ও পাঁচ লাখ কিলোমিটার বিতরণ লাইন একই সময়ে ছয় লাখ ৬০ হাজার কিলোমিটার করারও লক্ষমাত্রা দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নে আগামী এক বছরের লক্ষমাত্রাও দেওয়া হয় বাজেট বক্তৃতায়।

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও টেকসই জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ২০২১ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনার ঘোষণা দেওয়া হয় বাজেট বক্তব্যে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে একক জ্বালানি হিসেবে গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জ্বালানি বহুমুখীকরণ, বিশেষ করে কয়লার ওপর জোর দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এ ছাড়া সমুদ্র ও স্থলভাগে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে অনশোর এবং অফশোর মডেল পিএসসি অনুমোদন করে নতুন বিডিং রাউন্ড শুরু করা হবে বলে জানানো হয়।

২০২০ সাল নাগাদ মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ১০ শতাংশ সৌর বিদ্যুতের মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয় বাজেট বক্তৃতায়।

Advertisement