Beta

‘যেখানেই মাদক-ক্যাসিনো, সেখানেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে’

২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:৩৫

নিজস্ব প্রতিবেদক
সচিবালয়ে শিল্পী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি : পিআইডি

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘যেখানেই মাদক, ক্যাসিনো বা অনিয়ম, সেখানেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সেখানে কে কোন মতের সেটি দেখা হচ্ছে না।’

আজ রোববার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। এর আগে তার সঙ্গে বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন শিল্পীরা বৈঠক করেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ‘কেঁচো খুঁড়তে আওয়ামী লীগের সাপ বেরিয়ে আসছে’ এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের আরো বলেন, ‘উনাদের দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানই তো বড় অজগর সাপ, সব গিলে খেয়ে ফেলেন। তাদের মুখে বড় কথা মানায় না।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। এ জন্য বিএনপির উচিত সরকারকে সাধুবাদ জানানো। বিএনপির আমলেই এসবের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, বরং তারা দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল।’

মন্ত্রী বলেন, ‘হাওয়া ভবন বানিয়ে প্রত্যেক ব্যবসায় ১০ শতাংশ কমিশন বসানো হয়েছিল। খোয়াব ভবন বানিয়ে আমোদ-ফুর্তি করা হয়েছিল।’ হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সেই জায়গায় প্রধানমন্ত্রী এখন এই সমস্ত অনিয়ম, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অগ্রসর হচ্ছেন। এই ক্ষেত্রে তো তাদের ব্যর্থতার জন্য লজ্জা পাওয়ার কথা। সেটি না বলে মির্জা ফখরুল সাহেব যা বলছেন, সেজন্য তাকে বলব, নিজেদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হচ্ছেন বড় অজগর সাপ, যেটি গিলে সব খেয়ে ফেলে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে সেখানে রেখে, নিজেরা বাংলাদেশকে পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিলেন।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেখানে অনিয়ম পাওয়া যাচ্ছে সেখানেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমরা পরপর তৃতীয়বার রাষ্ট্রক্ষমতায়। তৃতীয়বার রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকার কারণে অনেক অনুপ্রবেশকারী আমাদের সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে ঢুকেছে, তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তারা যে কথাগুলো বলেছে আমি পত্র-পত্রিকা দু-এক জায়গায় দেখেছি, এই কথাগুলো স্টিল নট ভেলিডেটেড। তবে তাদের সাথে যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান, অতিরিক্ত সচিব মো. মিজান-উল-আলম, শিল্পী সংস্থার সভাপতি ড. ইনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আজম বাশার ও সদস্যদের মধ্যে এস এম মহসিন, মো. খালেকুজ্জামান, আজিজুর রহমান, কবি রবীন্দ্র গোপ, সিবু রায়, সহিদুল আলম সাচ্চু, মুনমুন আহমেদ, হাসান মতিউর রহমান, সমীর বাউল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement