Beta

কথাসাহিত্যিক রিজিয়া রহমান আর নেই

১৬ আগস্ট ২০১৯, ১৪:১২ | আপডেট: ১৬ আগস্ট ২০১৯, ১৬:৫২

নিজস্ব প্রতিবেদক
একুশে পদকপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক রিজিয়া রহমান আর নেই। ফাইল ছবি

একুশে পদকপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক রিজিয়া রহমান আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি স্বাধীনতা-পরবর্তী কালের বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা ঔপন্যাসিক ছিলেন।

আজ শুক্রবার বেলা ১১টার সময় রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিজিয়া রহমান শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বলে নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে আব্দুর রহমান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

আব্দুর রহমান এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘ব্লাডে ইনফেকশন হয়ে তিনি মারা যান। তিনি কিডনি রোগেও ভুগছিলেন। ঈদের পরের দিন তাঁকে অ্যাপোলো হাসপাতালের আইসিওতে ভর্তি করা হয়। আজ ঠিক ১১টার সময় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।’

আব্দুর রহমান বলেন, ‘দুপুর ২টার সময় মহাখালী ডিওএইচএসে তাঁকে গোছল করানো হবে। বিকালের পরে উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরের জামে মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মিরপুর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।’

রিজিয়া রহমানের জন্ম ১৯৩৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর কলকাতার ভবানীপুরে। দেশভাগের পর পরিবারের সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে চলে আসেন। তাঁর শৈশব-কৈশোর, বেড়ে ওঠা ও পড়াশোনা সবই বাংলাদেশে।

রিজিয়া রহমানের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘অগ্নিসাক্ষরা’, ‘ঘর ভাঙা ঘর’, ‘রক্তের অক্ষর’, ‘বং থেকে বাংলা’, ‘অলিখিত উপাখ্যান’, ‘উত্তর পুরুষ’, ‘শিলায় শিলায় আগুন’, ‘সূর্যে সবুজ রক্ত’, ‘অরণ্যের কাছে’, ‘হে মানব মানবী’, ‘পবিত্র নারীরা’, ‘সীতা পাহাড়ে আগুন’ ইত্যাদি। এ ছাড়া ‘অভিবাসী আমি’ ও ‘নদী নিরবধি’ নামে দুটি আত্মজীবনীও লিখেছেন এই প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক।

রিজিয়া রহমান বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। ১৯৭৮ সালে উপন্যাসে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার এ বছর তাঁকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।

Advertisement