ছেলেধরা সন্দেহে ৬ জেলায় ১৯ জনকে গণপিটুনি

২১ জুলাই ২০১৯, ২৩:৩৪

অনলাইন ডেস্ক
রোববার নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ছেলেধরা সন্দেহে ছয় জেলে গণপিটুনির শিকার হন। গণপিটুনির খবর পেয়ে মান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই ছয় জেলেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। ছবি : এনটিভি

দেশের ছয় জেলায় আজ রোববার ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনির শিকার হয়ে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন। পাবনা, নাটোর, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, নওগাঁ ও টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলায় এসব ঘটনা ঘটে।

গত বৃহস্পতিবার নেত্রকোনা শহরে এক যুবকের ব্যাগে শিশুর কাটা মাথা পেয়ে ওই যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে স্থানীয় লোকজন। এর পর থেকে সারা দেশে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনির ঘটনা বাড়তে থাকে। এ পর্যন্ত এমন ঘটনায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন।

ঢাকার বাইরে আমাদের প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

হালিম খান, নাটোর : নাটোরে ছেলেধরা সন্দেহে এক যুবককে গণপিটুনি দেওয়ার সময় উদ্ধার করেছে পুলিশ। নাটোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী জালাল উদ্দিন জানান, রোববার দুপুরে শহরের হাফরাস্তা তালতলা এলাকায় এক যুবককে ঘোরাফেরা করতে দেখে গণপিটুনি শুরু করে এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তি একজন মানসিক প্রতিবন্ধী। তবে তাঁর পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ। এসব ঘটনায় আইন নিজের হাতে না নিয়ে পুলিশের সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানায় পুলিশ।

মো. জালাল উদ্দিন, কুমিলা : কুমিল্লায় ছেলেধরা সন্দেহে নারীসহ তিন ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলার সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের ধুতিয়া দিঘীর পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গণপিটুনিতে আহত ব্যক্তিরা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বেজোড়া গ্রামের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে একজন নারী ও দুজন পুরুষ। ওই নারীর বয়স আনুমানিক ৫০ এবং দুই পুরুষের বয়স আনুমানিক ৬০ বছর হবে।

আমড়াতলী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন জানান, রোববার সকালে ওই তিন ব্যক্তি জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বেজোড়া গ্রাম থেকে আমড়াতলী স্কুলের সামনে আসেন। পাশের একটি বাড়ির সামনে গিয়ে একটি ছোট শিশুকে ডাক দিলে ছেলেধরা সন্দেহে নারীসহ ওই তিন বয়স্ক ব্যক্তিকে এলাকাবাসী আটক করে এবং পিটুনি দেয়। দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আহত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) তপন কুমার বাগচী জানান, ধুতিয়া দিঘীরপাড়ে ছেলেধরা সন্দেহে তিনজনকে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে থানায় নেওয়া হয়। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

আসাদুর রহমান জয়, নওগাঁ : নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ছেলেধরা সন্দেহে ছয় জেলে গণপিটুনির শিকার হয়েছেন। গণপিটুনির খবর পেয়ে মান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই ছয় জেলেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। রোববার সকালে উপজেলার বুড়িদহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গণপিটুনির শিকার হওয়া ওই ছয় ব্যক্তি হলেন নওগাঁ সদর উপজেলার খাগড়া গ্রামের সাদ্দাম হোসেন (২৭), তসলিম হোসেন (২৩), সাইফুল ইসলাম (৩৮), আব্দুল মজিদ আকন্দ (৩৭) ও আনিছুর রহমান (২৭) ও সদর উপজেলার ফারতপুর গ্রামের রেজাউল করিম (২৭)। তাঁরা সবাই মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ৮টার দিকে ওই ছয় জেলে মান্দার বুড়িদহ গ্রামের রনজিত কুমার চৌধুরীর পুকুরে চুক্তিভিত্তিক মাছ ধরতে যান। জেলেদের সঙ্গে পুকুর মালিকের সঙ্গে চুক্তি ছিল তাঁরা শুধু পুকুর থেকে ছোট মাছ ধরবেন। কিন্তু জেলেরা কয়েকটি বড় মাছও ধরে ফেলেন। এ নিয়ে জেলেদের সঙ্গে পুকুর মালিকের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পুকুর মালিক ও গ্রামের লোকজন জেলেদের মারধর করতে শুরু করেন। একপর্যায়ে জেলেরা মার থেকে বাঁচতে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় গ্রামের লোকজন ছেলেধরা বলে চিৎকার শুরু করলে আরো লোকজন ছুটে এসে প্রথমে বুড়িদহ গ্রামের অদূরে সাদ্দাম হোসেন নামের এক জেলেকে আটক করে। ছেলেধরা পালিয়ে যাওয়ার খবর রটে গেলে দৌঁড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় পাশের খুদিয়াডাঙ্গা গ্রামের লোকজন অন্য পাঁচজন জেলেকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ওই ছয় জেলেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন জানান, পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে গ্রামবাসী ছেলেধরা গুজব রটিয়ে ছয় ব্যক্তিকে মারধর করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদেরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। তারা আপাতত থানা হেফাজতে রয়েছেন। ঘটনা তদন্তে তাদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা মৎস্যজীবী বলে জানা গেছে। তাঁরা মাছ ধরার জন্য নওগাঁ থেকে আজ সকালে মান্দা উপজেলায় আসে।

পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ একটা গুজব। এ ধরনের গুজবে কাউকে কান না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করব।’

মহব্বত হোসেন, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলে ছেলেধরা সন্দেহে তিনজনকে গণপিটুনি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শহরের শান্তিকুঞ্জ মোড়, সদর উপজেলার কান্দিলা ও কালিহাতি উপজেলার সয়া পালিমা গ্রামে পৃথক এ তিনটি ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গণপিটুনির শিকার একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁর নাম আকাশ (৪২), বাড়ি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, রোববার সকালে সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের কান্দিলা বাজারে ছেলেধরা সন্দেহে একজনকে গণপিটুনি দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মারাত্মক আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

এদিকে রোববার দুপুরের দিকে গণপিটুনির শিকার হন অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবক। তাকেও পুলিশ উদ্ধার করে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ছাড়াও গতকাল শনিবার রাত ১১টার দিকে শহরের শান্তিকুঞ্জ মোড় এলাকা থেকে একজনকে উদ্ধার করে। তবে পুলিশের সন্দেহ, তিনি মানসিক রোগী।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (ইন্টিলিজেন্ট অ্যান্ড কমিউনিটি পুলিশিং) মো. সালাউদ্দিন বলেন, ছেলেধরা সন্দেহে যারা আক্রান্ত হচ্ছে তারা প্রকৃত অপরাধী কিনা তদন্তের আগে বলা যাবে না। এ ব্যপারে গণসচেতনতা বাড়াতে শহরে মাইকিং করা হবে হবে বলেও জানান তিনি। আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে পুলিশকে খবর দেওয়ার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

এ বি এম ফজলুর রহমান, পাবনা : পাবনায় রোববার ছেলেধরা সন্দেহে জনতার হাত থেকে দুই নারীসহ চারজনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া পাবনার সাঁথিয়ায় ক্ষেতুপাড়া আব্দুস সাত্তার উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র আতিকুর রহমান স্কুলে যাওয়ার পথে বোরকাপরা এক নারী তার গলাকাটার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাকে আহত অবস্থায় সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার বিকেলে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে জহুরুল ইসলাম (৩০) ও জিয়া উদ্দিন (৩৫) নামের দুজন ও সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গা গ্রাম থেকে সোনিয়া খাতুন (২২) নামের এক নারীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ছাড়া সকালে ভাঙ্গুড়ায় ছেলেধরা সন্দেহে খুশিয়ারা খাতুন (৩০) নামে এক গৃহবধূকে আটকের পর পুলিশে সোর্পদ করেছে স্থানীয় জনতা। রোববার সকাল ৯টায় উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের নূর-নগর গ্রামে এঘটনা ঘটে। খুশিয়ারা পৌর সদরের হারোপাড়া মহল্লার হাসিনুর রহমানের স্ত্রী।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুল হক জানান, সোনিয়ার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার উজিরপুর গ্রামে। সোনিয়া বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করেন। জহুরুল ও জিয়াউদ্দিন মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরে। তারা নিজেদের নাম ছাড়া কিছুই বলতে পারে না। প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি, আটক তিনজনই কোনো ছেলেধরা নয়। তাদের বিষয়ে আরো তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন, সারা দেশে ছেলেধরা গুজবের কারণে আমরা খবর পেয়ে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি।

ভাঙ্গুড়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাজেদুল ইসলাম সাজু বলেন, রোববার সকালে ওই গৃহবধূ উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের নূর-নগর দিয়ারপাড়া এলাকায় ঘোরাঘুরি করছিলেন। এ সময় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে তাঁর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই নারী একজন মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানান তিনি।

এদিকে সকালে এ ছাড়া পাবনার সাঁথিয়ায় ক্ষেতুপাড়া আব্দুস সাত্তার উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র আতিকুর রহমানকে স্কুলে যাওয়ার পথে এক বোরকাপরা নারী গলা কাটার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাকে আহত অবস্থায় সাঁথিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সংবাদ জানাজানির পর অধিকাংশ স্কুলের ছাত্র/ছাত্রীরা ভয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করে। অনেক অভিভাবককেই সন্তান নিতে স্কুলের গেটে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, আমি সংবাদ পেয়ে আহত ছাত্রের বাবা ও মায়ের সঙ্গে কথা বলে তাদের সন্তানকে চিকিৎসা দিতে বলেছি। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে ও আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর জন্য কোনো মহল ষড়যন্ত্র করছে। তিনি আরো বলেন, এ ঘটনাটি এলাকার কোনো ব্যক্তি ইচ্ছা করেও ঘটাতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।

পাবনার পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম ছেলেধরা সন্দেহে কোনো গুজবে কান না দেওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেন। অপরিচিত কাউকে দেখলে বা গতিবিধি সন্দেহজনক হলে পুলিশে খবর দেওয়ার জন্য তিনি অনুরোধ করেন। কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেয় সেজন্য সবার সহায়তা কামনা করেন পুলিশ সুপার।

জাহিদুর রহমান, সাভার : সাভারে ছেলে ধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত অজ্ঞাত নারী নিহতের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা চারশ থেকে পাঁচশ জনকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেছে পুলিশ। এছাড়া ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে আইন নিজের হাতে তুলে না নিতে সবাইকে আহ্বান জানানো হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। শনিবার দিবাগত মধ্য রাতে সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ জানান, শনিবার দুপুরে সাভারের তেতুলঝোড়া এলাকায় ৪০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাতনামা নারীকে ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনি দেয় স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গণপিটুনির শিকার ওই নারী।

এ ঘটনায় আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলাটি করা হয়েছে জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সায়েদ বলেন, ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে আইন নিজের হাতে তুলে না নিতে সবাইকে অনুরোধ করেন তিনি।