Beta

টেকনাফে এক রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন ‘মাদক ব্যবসায়ী’ নিহত

১৬ জুন ২০১৯, ০৮:০০ | আপডেট: ১৬ জুন ২০১৯, ০৯:৩৫

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। পুলিশের এই এলিট বাহিনীর দাবি, নিহতরা মাদক ব্যবসায়ী।

আজ রোববার ভোররাত ৩টার দিকে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পাহাড়ি ঢালা এলাকায় এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছেন র‍্যাব-১৫-এর টেকনাফ ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মির্জা শাহেদ মাহতাব।

নিহতরা হলেন কক্সবাজার সদরের চৌধুরীপাড়ার দিল মোহাম্মদ (৪২), একই এলাকার রাসেদুল ইসলাম (২২) ও চট্টগ্রামের মাস্টারহাট আমিরাবাদ এলাকার শহিদুল ইসলাম (৪২)।

লেফটেন্যান্ট মির্জা শাহেদ মাহতাবের দাবি, র‍্যাব সদস্যরা খবর পান, ভোররাতে একদল ইয়াবা কারবারি ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী পাহাড়ি ঢালা এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান পাচার করছে। এরপর র‍্যাবের একটি বিশেষ দল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

‘এ সময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে থাকা অস্ত্রধারীরা গুলি ছুড়তে শুরু করে। র‍্যাব সদস্যরা পাল্টা গুলি ছোড়েন। ওই সময় র‍্যাবের দুই সদস্য আহত হন। একপর্যায়ে অস্ত্রধারীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থলে মাদক কারবারি ওই তিনজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।’

র‍্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘তাদের উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন।’

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শংকর চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘ভোরে র‍্যাব সদস্যরা গুলিবিদ্ধ তিনজনকে নিয়ে আসেন। তাদের শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন ছিল। এ ছাড়া আহত র‍্যাব সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।’

র‍্যাবের কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মির্জা শাহেদ মাহতাব আরো বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য নিহত ব্যক্তিদের লাশ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। ঘটনাস্থল থেকে এক লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা, চারটি দেশি বন্দুক (এলজি) ও ২১টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Advertisement