Beta

বিএনপির রাজনীতি জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : ওবায়দুল কাদের

২৯ মে ২০১৯, ১৫:৫২ | আপডেট: ২৯ মে ২০১৯, ১৬:২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাস র‍্যাপিড ট্রান্সপোর্ট-৬ (এমআরটি) প্রকল্পের সাইট অফিস পরিদর্শন শেষে বুধবার কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি : এনটিভি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশে একনায়কতন্ত্র চলছে, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল সংসদের বাইরে না থেকে সংসদে যোগ দিয়ে এমন দাবি করতে পারতেন।

আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাস র‍্যাপিড ট্রান্সপোর্ট-৬ (এমআরটি) প্রকল্পের সাইট অফিস পরিদর্শন শেষে এক সভায় এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

গতকাল মঙ্গলবার কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ইফতারের জন্য নামমাত্র বাজেট বরাদ্দ নিয়ে সমালোচনাকালে বর্তমান সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

তারই সূত্র ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ইফতারটা ধর্মীয় বিষয়, এটা নিয়ে একটা পলিটিক্স হবে, প্রত্যাশা করা যায় না। জেলে থাকলে জেল কোড তো মেনে নিতে হবে।’

‘বিএনপি মহাসচিব নিজেই সংসদীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন না। (দেশে) একনায়কের শাসন চলছে, যদি এটা সত্য হয়, তাহলে আপনি সংসদে থেকেই এই কথাটা বলতেন। এটা দেশে বিদেশে আরো বেশি করে, এটা লাউডার (হয়ে পৌঁছাত)’, বলেন কাদের।

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বা গণতন্ত্রে বিরোধী দলের ভূমিকাটা, সেই ভূমিকাটা সেক্রেটারি জেনারেল হয়ে আপনি রাখছেন না; কাজেই অভিযোগ অবান্তর।’   

চলতি সংসদে এমপি হিসেবে মির্জা ফখরুলের শপথ না নেওয়ার সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, মির্জা ফখরুলের শপথ না নেওয়া, আবার একই আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির অংশ নেওয়া দলটির দ্বিচারিতা। তাদের এ আচরণে জনগণ বিভ্রান্ত হচ্ছে।

সভায় এমআরটি-৬ প্রকল্পের ব্যাপারে সড়ক ও যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে এ প্রকল্প চালু হবে। তবে শুধু এই একটি প্রকল্প দিয়েই রাজধানীর যানজট নিরসন হবে না। এমআরটি প্রকল্পের আরো পাঁচটি ধাপ রয়েছে। যা পর্যায়ক্রমে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। পুরো প্যাকেজের কাজ শেষে হলে রাজধানীর যানজট দূর হবে বলেও আশাবাদ জানান তিনি।

প্রত্যাশিত সময়ের আগেই শেষ হবে, আর তাতে প্রকল্পের ব্যয়ও কমে আসবে। স্থায়ী স্বস্তির জন্য প্রকল্প সম্পূর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত সাময়িক দুর্ভোগ সহ্য করার জন্য নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান ওবায়দুল কাদের।

Advertisement