Beta

দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্রি হচ্ছে রেলের আগাম টিকেট

২৩ মে ২০১৯, ১০:৪২ | আপডেট: ২৩ মে ২০১৯, ১১:০১

নিজস্ব সংবাদদাতা

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশব্যাপী বিভিন্ন গন্তব্যে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো রেলওয়ের আগাম টিকেট বিক্রি চলছে।

আজ বৃহস্পতিবার দেওয়া হচ্ছে ১ জুনের টিকেট। আগামীকাল অর্থাৎ ২৪ মে দেওয়া হবে ২ জুন, ২৫ মে দেওয়া হবে ৩ জুন ও ২৬ মে দেওয়া হবে ৪ জুনের টিকেট।

অন্যদিকে রেলের ফিরতি টিকেট বিক্রি আগামী ২৯ মে থেকে শুরু হয়ে চলবে ২ জুন পর্যন্ত। ২৯ মে দেওয়া হবে ৭ জুনের, ৩০ মে দেওয়া হবে ৮ জুনের, ৩১ মে দেওয়া হবে ৯ জুনের, ১ জুন দেওয়া হবে ১০ জুনের ও ২ জুন দেওয়া হবে ১১ জুনের ফিরতি টিকেট।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অগ্রিম এ টিকেট বিক্রি ২২ মে থেকে শুরু হয়ে চলবে ২৬ মে পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টিকেট বিক্রি করা হবে।

এবারই প্রথম ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, বিমানবন্দর, বনানী, তেজগাঁও স্টেশন এবং ফুলবাড়িয়া থেকে রেলের অগ্রিম টিকেট বিক্রি করা হচ্ছে বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

এবারে মোট ৭০ হাজার রেলের টিকেট বিক্রি হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এর অর্ধেক বিক্রি হবে অনলাইন ও অ্যাপে। তবে স্পেশাল ট্রেনের কোনো সিট মোবাইল অ্যাপে পাওয়া যাবে না। বাকি অর্ধেক টিকেট উপরোল্লিখিত রাজধানীর পাঁচটি জায়গা থেকে বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে ভিআইপি কোটা ৫ শতাংশ ও রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য রয়েছে ৫ শতাংশ টিকেট। সব মিলিয়ে মোট ২৮ হাজার স্টেশন থেকে সরাসরি টিকেট বিক্রি করা হবে। যদিও এখন পর্যন্ত অনলাইনে বা অ্যাপে রেলের টিকেট মিলছে না বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।

ঈদুল ফিতরের অগ্রিম টিকেট বিক্রয় ও ব্যবস্থাপনায় টিকেট বিক্রয়ের রুটগুলো হচ্ছে : ঢাকা (কমলাপুর)-সমগ্র পশ্চিমাঞ্চলগামী ট্রেন ভায়া যমুনা সেতু, বিমানবন্দর স্টেশন-চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীগামী সব আন্তনগর ট্রেন, তেজগাঁও স্টেশন-ময়মনসিংহ ও জামালপুরগামী সব আন্তনগর ট্রেন, বনানী স্টেশন-নেত্রকোনাগামী মোহনগঞ্জ ও হাওড় এক্সপ্রেস ট্রেন, ফুলবাড়িয়া (পুরাতন রেলভবন)-সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী সব আন্তনগর ট্রেন।

রেলপথমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন গত বৃহস্পতিবার রেল ভবনে ঈদুল পবিত্র ফিতর উপলক্ষে রেলওয়ের প্রস্তুতি-সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৫ বা ৬ জুন দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হবে। তবে আগামী ৫ জুন ঈদ ধরে রেলওয়ের কর্মপরিকল্পনা সাজানো হয়েছে।’

কর্তৃপক্ষ জনিয়েছে, ঈদের পাঁচ দিন আগে থেকে অর্থাৎ ৩১ মে থেকে রেলওয়েতে ট্রেনের কোনো ডে-অফ থাকবে না। ফলে ৪৮টি বিশেষ ট্রিপ পরিচালিত হবে।

ঈদকে কেন্দ্র করে টিকেট নিয়ে যেকোনো রকম কালোবাজারি প্রতিরোধে জেলা প্রশাসকদের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ঢাকা, ঢাকা বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, খুলনাসহ সব বড় বড় স্টেশনে জিআরপি, আরএনবি, বিজিবি ও স্থানীয় পুলিশ ও র‍্যাবের সহযোগিতায় টিকেটের কালোবাজারি প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক পাহারার ব্যবস্থা থাকবে বলে জানানো হয়েছে। কালোবাজারি রুখতে ন্যাশনাল আইডি কার্ড দেখিয়ে একজন সর্বোচ্চ চারটি টিকেট কিনতে পারবেন। এ ছাড়া ঈদের আগে ও পরে মালবাহী ট্রেন বন্ধ থাকবে বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

Advertisement