Beta

‘৩ ও ৪ মের বাসের টিকেট শেষ’

১৮ মে ২০১৯, ১২:৩৩

অনলাইন ডেস্ক

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দ্বিতীয় দিনের মতো আজ শনিবার চলছে বাসের আগাম টিকেট বিক্রি। আর এই টিকেট বিক্রিতে যেমন বাড়তি চাপ পোহাতে হচ্ছে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের, তেমনি ভোগান্তিতে পড়ছেন টিকেটপ্রত্যাশীরা।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর গাবতলী ও এর আশপাশের এলাকায় সকাল ৬টায় শুরু হয় ঈদের আগাম টিকেট বিক্রি। চলবে আগামীকাল রোববার পর্যন্ত।

টিকেট বিক্রির প্রথম দিন নিজেদের সুবিধামতো সময়ে টিকেট না পেয়ে অনেকেই আজ ভিড় জমিয়েছেন কাউন্টারগুলোতে। কিন্তু তাতেও লাভ হচ্ছে না। প্রথম দিনেই বিক্রি হয়ে গেছে হাজার হাজার টিকেট।

এদিকে আগামী ৩ জুনের টিকেটের সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। তাঁরা বলছেন, গতকাল টিকেট বিক্রির প্রথম দিনেই ৩ জুনের টিকেট শেষ হয়ে যায়।

রাজধানীর কল্যাণপুড়ে শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার কর্তৃপক্ষ বলছে, গতকালই তারা ১৫ থেকে ১৬ হাজার টিকেট বিক্রি করেছে। যার মধ্যে বেশির ভাগই ৩০ মে ও ৩ জুনের টিকেট। যারা ৩ জুনের টিকেট পাচ্ছে না, তারা ৪ জুনের টিকেট নিচ্ছে। যার ফলে ৪ জুনের টিকেটও প্রায় শেষের পথে।

এদিকে গাবতলীতে অবস্থিত কাউন্টারগুলোতে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে বলা হচ্ছে, ৩ ও ৪ জুনের টিকেট নেই।

প্রথম দিনেই প্রায় সব টিকেট বিক্রি হয়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছে টিকেটপ্রত্যাশীরা।

কাউন্টার কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের উদ্দেশে বলছে, ৩ ও ৪ জুনের টিকেটের চাহিদা যেহেতু বেশি, সেহেতু মহাসড়কের অবস্থা ভালো থাকলে অতিরিক্ত বাস ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। আর এ ব্যাপারে ৩০ ও ৩১ মের পরই জানা যাবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁরা বলছেন, স্পেশাল বাসগুলোর ক্ষেত্রে বাস ছাড়ার আগে বিক্রি করা হবে টিকেট।

এদিকে গতকাল টিকেট বিক্রির প্রথম দিন ভোর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালে ছিল টিকেটপ্রত্যাশীদের উপচেপড়া ভিড়। লক্ষ্য একটাই, পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করা। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অনেকেই কাঙ্ক্ষিত টিকেট হাতে নিয়ে খুশিমনে বাড়ি ফিরেছে।

রাজধানীর গাবতলী ও এর আশপাশের এলাকা থেকে সকাল ৬টায় শুরু হয় ঈদের আগাম টিকেট বিক্রি। এর আগে গত ৯ মে বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনভুক্ত বাস কোম্পানিগুলোর মালিকদের এক বৈঠকে আগাম টিকেট বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়।

বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান রমেশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘রাজধানীর গাবতলী, মাজার রোড, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজগেট ও কলাবাগান এলাকায় বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টার থেকে টিকেট বিক্রি হচ্ছে।’ যতক্ষণ টিকেট থাকবে, ততক্ষণ বিক্রি চলবে বলেও জানান রমেশ চন্দ্র ঘোষ। এ ছাড়া প্রতিটি গাড়ির দুটি টিকেট হাতে রেখে বাকি সব টিকেট বিক্রি করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

Advertisement