Beta

নুসরাত হত্যায় অর্থ লেনদেনের খোঁজ পেয়েছে সিআইডি

২০ এপ্রিল ২০১৯, ১৫:০১

নিজস্ব প্রতিবেদক
ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যাকাণ্ডে অবৈধ অর্থ লেনদেনের খোঁজ পাওয়া গেছে বলে শনিবার রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল ইসলাম। ছবি : এনটিভি

ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ডে অবৈধ অর্থ লেনদেনের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ- সিআইডি।

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা জানান সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল ইসলাম।

নুসরাত হত্যার হুকুমদাতা ও আলোচিত ওই হত্যাকাণ্ডে যারা অংশ নিয়েছে তাদের মধ্যে অবৈধ অর্থ লেনদন হয়েছে। অর্থের জোগানদাতা থেকে শুরু করে কয়জনকে সে অর্থ দেওয়া হয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান সিআইডি কর্মকর্তা।

বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল বলেন, ‘জানতে পেরেছি, এখানে অবৈধ অর্থ লেনদেন হয়েছে। এ সপ্তাহেই আমরা একটি টিম পাঠাব, ওখানে আমাদের টিম অনুসন্ধান করে দেখবে যে, মানিলন্ডারিং হয়েছে কি না। যদি হয়ে থাকে তাহলে আমরা নিয়মিত মামলা রুজু করব।’

‘অবৈধ অর্থ, সেটা কেরোসিন কেনার জন্য হোক, কাউকে প্রভাবিত করার জন্য টাকা ইনভেস্ট করা হোক, বা কেউ যদি টাকা দিয়ে থাকে এই মৃত্যু অথবা শ্লীলতাহানির ক্ষেত্রে। এ হত্যাকাণ্ড প্রভাবিত করার জন্য, সাপ্রেস করার জন্য, অথবা খুন করার জন্য যদি টাকা ইনভেস্ট করে থাকে, সেটা মানিলন্ডারিং’, বলেন সিআইডি কর্মকর্তা।  

গত ৬ এপ্রিল সকালে আলিম পরীক্ষা দিতে গেলে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় মুখোশ পরা চার/পাঁচজন নুসরাত জাহান রাফিকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে করা যৌন হয়রানির মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। অস্বীকৃতি জানালে তারা নুসরাতের গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়।

গত ১০ এপ্রিল বুধবার রাত ৯টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান অগ্নিদগ্ধ নুসরাত জাহান রাফি।

এ নিয়ে এই মামলায় মোট চারজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন। এই মামলার এজাহারে থাকা আট আসামির সবাই গ্রেপ্তার হয়েছেন। গ্রেপ্তার মোট ১৮ জনের মধ্যে ১৩ জনকে আদালত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

Advertisement