Beta

খালেদা জিয়ার আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন বিএনপি প্রার্থী

০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:৫২ | আপডেট: ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ১১:০৮

নিজস্ব সংবাদদাতা

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বগুড়া-৭ আসনে দলের মনোনীত বিকল্প প্রার্থী মোরশেদ মিল্টন আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের আপিলের শুনানি শুরু হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনের দশম তলায় স্থাপিত এজলাসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের নবাব মো. শামছুল হুদার আপিল দিয়ে শুরু হয়। দুই নম্বরেই ছিল মোরশেদ মিল্টনের আপিলের শুনানি। শুনানি শেষে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। এ সময় ঢাকা-২০ আসনের তমিজ উদ্দিনও প্রার্থিতা ফিরে পান।

কিশোরগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামান রঞ্জন ও পটুয়াখালী-৩ আসনে মো. গোলাম মাওলা রনির মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। 

নির্বাচন কমিশনের পুনঃতফসিল অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। গত ২৯ নভেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। এরপর গত রোববার মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়। এদিন নির্বাচনে ৩০০ সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য জমা দেওয়া তিন হাজার ৬৫ মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৭৮৬টি বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। যাদের মধ্যে বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের অনেক হেভিওয়েট প্রার্থীও রয়েছেন।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দুদকের দায়ের করা দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছরের কারাভোগ করছেন। আইন অনুযায়ী খালেদার এ কারাদণ্ড আপিলে স্থগিত না হলে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় দেখা দেয়। এ কারণেই খালেদা জিয়ার পক্ষে তিনটি আসনে বিকল্প প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এর মধ্যে বগুড়া-৬ আসনে খালেদা জিয়ার বিকল্প হিসেবে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ফেনী-১ আসনে বিকল্প হিসেবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি রফিকুল আলম মজনু মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ ছাড়া বগুড়া-৭ আসনে জেলার গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ মিল্টন খালেদা জিয়ার বিকল্প হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

যাচাই-বাছাইয়ে তিনটি আসনেই খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে বগুড়া-৭ আসনে মোরশেদ মিল্টনের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছিল। এর ফলে এখানে বিএনপির কোনো প্রার্থী ছিল না। এখন মোরশেদ মিল্টন প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় সেখানে ধানের শীষ নিয়ে লড়াইয়ের সুযোগ তৈরি হলো। 

গত সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত আপিল গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশন। তিন দিনে ৫৪৩ জন আপিল করেছেন। প্রথম দিনে ৮৪, দ্বিতীয় দিনে ২৩৭ ও তৃতীয় দিনে ২২২টি আবেদন নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা পড়ে।

আজ ১ থেকে ১৬০ পর্যন্ত ক্রমিক নম্বরের আবেদন শুনানি হবে। শুক্রবার ১৬১ থেকে ৩১০ পর্যন্ত এবং শনিবার ৩১১ ক্রমিক নম্বর থেকে ৫৪৩ পর্যন্ত আবেদনের আপিল শুনানি গ্রহণ করবে কমিশন।

প্রতিটি আবেদনের আপিল শুনানি শেষে সঙ্গে সঙ্গেই রায় জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যদি উচ্চ আদালতে কমিশনের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে চান, তাহলে তাঁকে রায়ের নকল কপি দিয়ে দেওয়া হবে।

ইউটিউবে এনটিভির জনপ্রিয় সব নাটক দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Advertisement