‘নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হলে সংসদ ভাঙতে হবে’

১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৮:০১

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হলে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। মামলা প্রত্যাহার ও নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি সামরিক বাহিনীর হাতে দিতে হবে।’

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে আজ বুধবার সকাল ১০টায় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের সামনে অনশন কর্মসূচি শুরু করেন দলটির নেতাকর্মীরা। সকাল ১০টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ৯টার আগেই কর্মসূচিস্থলে চলে আসে নেতাকর্মীরা।

দুপুর ১২টায় অনশন কর্মসূচির সভাপতি বিএনপির স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বক্তব্যের মাধ্যমে দুই ঘণ্টার প্রতীকী অনশন কর্মসূচি শেষ হয়।

অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ গিয়ে বিএনপি নেতাদের পানি পান করিয়ে তাদের অনশন ভাঙান। এ সময় অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ‘এই মুহূর্তে খালেদা জিয়ার মুক্তি অপরিহার্য। তাঁকে মুক্ত করতে হবে। আজ গণতন্ত্র ভুলুণ্ঠিত।’

বিএনপির এই অনশন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। এ ছাড়া ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, নিতাই রায় চৌধুরী, আহমদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, আমান উল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, মিজানুর রহমান মিনু, আতাউর রহমান ঢালী, আবদুস সালাম ও হাবিবুর রহমান হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন ও ইমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমদ খান, যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি রফিকুল আলম মজনু।

এ ছাড়া ২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরোয়ার, কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য আবদুল হালিম, লেবার পার্টির একাংশের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, কল্যাণপার্টির সহসভাপতি শহীদুর রহমান তামান্না, ন্যাপের চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম, জাগপার সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান।