Beta

বিএনপির উদ্দেশে নাসিম

সাহস থাকলে মাঠে আসুন, নইলে খালি মাঠে গোল

০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:২২

আজ মঙ্গলবার বিকেলে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। ছবি : এনটিভি

সাহস থাকলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেছেন, আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে নির্বাচন হবে। দুনিয়ার কোনো শক্তি নেই সেই নির্বাচন বাতিল করার। সাহস থাকলে মাঠে আসুন, মাঠে হবে খেলা। মাঠ ছেড়ে পালাবেন না। না হলে খালি মাঠে গোল দেওয়া হবে।

আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় নতুন করে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্বোধন শেষে এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘এই জুড়ীতে দাঁড়িয়ে বলে গেলাম, নির্বাচন হবে শেখ হাসিনার অধীনে। এর কোনো ব্যত্যয় হবে না। সেই নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের সবাই বিজয়ী হবে ইনশা আল্লাহ।’

বিএনপি-জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একটা কথা বলি, জ্বালাও-পোড়াওয়ের কোনো চেষ্টা করবেন না, বিএনপি-জামায়াতের বন্ধুরা। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করেন। কেউ কারো গায়ে হাত দেবে না। যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন, জ্বালাও-পোড়াও করেন, তাহলে মনে রাখবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে। এ ব্যাপারে কোনো খাতির করা হবে না। নির্বাচন করবেন, ভোট যাকে ইচ্ছে দেবেন, কারচুপি করার কোনো সুযোগ নাই।’

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘এই যে ক্যামেরা দেখছেন, ক্যামেরা কথা বলে। সারা বাংলাদেশে ক্যামেরা থাকবে, সাংবাদিক থাকবে, সবাই দেখবে কীভাবে ইলেকশন হচ্ছে। ভয় পান কেন? খেলা দেখে ভয় পেলে হবে না। আমরা এমন কোনো আইন করি নাই। ইলেকশন কমিশন যেভাবে বলবে তারা সেভাবে কাজ করবে। ভয় পান কেন? ইলেকশন হবে মাঠে। খেলা হবে মাঠে, ফেয়ারলি খেলা হবে মাঠে ইনশা আল্লাহ। যে জিতবে সে জিতবে। জনগণ যাকে ভোট দিবে সে জিতবে। ভয় পান কেন? নির্বাচন নিয়ে চক্রান্ত করবেন না, দয়া করে। যদি চক্রান্ত করেন, বাংলার মানুষ ক্ষমা করবে না কোনো দিন। নির্বাচন হবে, সুষ্ঠু হবে। জনগণ যাকে ভোট দেবে তাকে মেনে নেব।’

জাতীয় সংসদের হুইপ মো. শাহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল মতিন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নেছার আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মিছবাহুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র মো. ফজলুর রহমান, জুড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গুলশান আরা মিলি, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বদরুল ইসলাম।

প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরে বড়লেখা উপজেলায় ৫০ শয্যাবিশিষ্ট আরেকটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করেন।

ইউটিউবে এনটিভির জনপ্রিয় সব নাটক দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Advertisement