Beta

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থী বহিষ্কার

০৮ আগস্ট ২০১৮, ২৩:৩৭

নিরাপদ সড়কের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী ও ছাত্রলীগ নিয়ে কটূক্তি, গুজব রটানো ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে ছয় শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। সেই সঙ্গে দুই শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করার অপরাধে এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের জাকিয়া রহমান ও জাকিয়া বেগম, পরিসংখ্যান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের সুমাইয়া ইসলাম; ছাত্রলীগ নিয়ে কটূক্তির অপরাধে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের মো. তানবীর হাসান, গুজব রটানোর অভিযোগে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ওবায়দুল্লাহ এবং নাশকতা পরিকল্পনার অভিযোগে গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের মুহাম্মদ ইমরান হোসেন।

এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলার প্রতি কটূক্তি করার অভিযোগে ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের  দ্বিতীয় সেমিস্টারের মেহনাজ জামান ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের শুভ্রা দেবনাথকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের নামে যারা  প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি, ভ্রান্তিকর গুজব ছড়ানো, আইনশৃঙ্খলাকে নিয়ে কটূক্তি ও বিভিন্নজনের সঙ্গে যোগাযোগ করে নাশকতা করার চেষ্টা করেছে- এমন ছয়জনকে সাময়িক বহিষ্কার ও দুজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে কেন তাদের স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না এর কারণ জানাতে বলা হয়েছে।

গত ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলার বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের বাসের চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়। এ ছাড়া আহত হয় বেশ কয়েকজন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ও নয় দফা দাবি নিয়ে রাস্তায় বিক্ষোভে ফেটে পড়ে শিক্ষার্থীরা। এই আন্দোলনে যোগ দেন বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। টানা নয়দিনের মতো তারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখায়। এ সময় বিভিন্ন পরিবহনের কাগজপত্র পরীক্ষা করে দেখেন শিক্ষার্থীরা।

রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থা কার্যত শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। আর নিরাপত্তার কথা বলে রাজধানীসহ সারা দেশে যান চলাচল বন্ধ করে দেয় মালিক- শ্রমিকরা। এ সময় চরম দুর্ভোগে পড়ে সাধারণ যাত্রীরা। তবে স্থানীয় যানবাহনসহ রিকশা, ভ্যান, সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাতায়াত করে যাত্রীরা। যদিও মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক।

ইউটিউবে এনটিভির জনপ্রিয় সব নাটক দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Advertisement