Beta

কোটা পদ্ধতি বহালে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের মানববন্ধন

০৭ জুলাই ২০১৮, ১৮:০৭

বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা
জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান’ ব্যানারে মানববন্ধন করে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা। ছবি : এনটিভি

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বহাল রেখে তা বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা।

আজ  শনিবার বেলা ১০টায় রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান’ ব্যানারে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা একটি কমিশন গঠন করে সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রিলিমিনারি পর্যায় থেকেই কোটা পদ্ধতি শতভাগ বাস্তবায়নের দাবি জানান।

মানববন্ধনে নয় দফা দাবি তুলে ধরেন ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন।

দাবিগুলো হলো, জাতির পিতা,বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তিকারীদের আইনের আওতায় আনা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ মুক্তিযোদ্ধার পরিবার সুরক্ষা আইন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রেখে তা বাস্তবায়নে কমিশন গঠন করে প্রিলিমিনারি থেকে কোটা শতভাগ বাস্তবায়ন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চলমান সব নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত রাখাসহ সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কোটার শূন্য পদ সংরক্ষণ করে বিশেষ নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা,  ১৯৭২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৩০% মুক্তিযোদ্ধা কোটায় শূন্য পদগুলোতে চলতি বছরেই নিয়োগ দেওয়া, প্রবাসী সরকারের প্রথম সেনাবাহিনী হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে পেনশন, বোনাস, রেশনসহ সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে স্বাধীনতাবিরোধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্তসহ স্বাধীনতাবিরোধীদের উত্তরসূরীদের সব চাকরিতে অযোগ্য ঘোষণা করা, জামায়াত শিবির নিষিদ্ধ করা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানসহ অন্য সবার জন্য চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা তুলে দেওয়া।

সভাপতির বক্তব্যে সাজ্জাদ হোসেন বলেন,‘সম্প্রতি কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাড়িতে হামলা হয়েছে। তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ‍প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করেছে। তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।’

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আ ক ম জামাল উদ্দিন,মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ঢাবি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী রেজাসহ প্রায় অর্ধশতাধিক মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement