Beta

নোয়াখালীতে কারাফটকে আসামির মৃত্যু

১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ১৪:২৮

মো. মাসুদ পারভেজ, নোয়াখালী
নোয়াখালী জেলা কারাগারের সামনে পড়ে আছে সাইফুল ইসলাম মাসুদের মরদেহ। ছবিটি গতকাল মঙ্গলবার রাতে তোলা। ছবি : এনটিভি

নোয়াখালী জেলা কারাগারের মূল ফটকের সামনে এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম সাইফুল ইসলাম মাসুদ ওরফে নিগ্রো মাসুদ (২৮)। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

মাসুদ সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নের পূর্ব চরউরিয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। পুলিশের দাবি, তিনি যুবদলের কর্মী। তবে যুবদল ও স্থানীয় লোকজন বলছে, মাসুদ আগে যুবদল করলেও পরে যুবলীগে যোগ দেন।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে সদর উপজেলার কালিতারা বাজারে সোনাপুর-সুবর্ণচর সড়কে পিকেটিং করার সময় যুবদলকর্মী মাসুদকে গণপিটুনি দেয় লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য পাঠায়।

ওসি জানান, মাসুদকে জেলা শহরের উজ্জ্বলপুরে পিকেটারদের ইটের আঘাতে নিহত স্কুলশিক্ষিকা শামছুন্নাহার ঝর্ণা হত্যা মামলা ও ১৩ জানুয়ারি রাতে পৌর কল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক জমির উদ্দিন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে। বিকেল ৩টার দিকে ১ নম্বর সদর আমলি আদালত তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশের সহকারী শহর উপপরিদর্শক (এটিএসআই) কাজী রেফাজুর রহমানের ভাষ্যমতে, আদালতের হাজতখানা থেকে মাসুদকে নিয়ে সন্ধ্যার দিকে জেলা কারাগারে গেলে গাড়ি থেকে নামানোর পরপরই তাঁর মৃত্যু হয়।

সদর উপজেলা যুবদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন ভিপি বলেন, মাসুদ একসময় যুবদলের স্থানীয় কর্মী ছিলেন। তবে ছয় মাস আগে আনুষ্ঠনিকভাবে তিনি যুবদল ত্যাগ করে যুবলীগে যোগ দেন।

এদিকে, নোয়াখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সম্মেলনে মাসুদ সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে পোস্টার টানান বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন।

Advertisement