Beta

লক্ষাধিক ‘রোহিঙ্গার’ নিবন্ধন হয়েছে

১০ অক্টোবর ২০১৭, ০০:৩৭ | আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০১৭, ০০:৪২

অনলাইন ডেস্ক
পুরোনো ছবি

সেনাবাহিনীর নির্যাতন-হামলা-ধর্ষণের মুখে রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসা মিয়ানমারের এক লাখ আট হাজার ৮৩২ জন নাগরিকের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন করা হয়েছে।

সোমবার পর্যন্ত কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ১২টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমার নাগরিকদের সরকারি ব্যবস্থাপনায় পাঁচটি ক্যাম্পের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে এই নিবন্ধন করা হয়। পাসপোর্ট অধিদপ্তর এ নিবন্ধন কাজ বাস্তবায়ন করছে বলে বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।  

গত ২৫ আগস্ট থেকে নতুন করে সহিংসতা সৃষ্টির পর রাখাইন রাজ্য থেকে বিপদসঙ্কুল নদী ও সমুদ্র পথ পাড়ি দিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ লাখ ১৫ হাজার মিয়ানমারের নাগরিক বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। পালিয়ে আসা এসব মানুষের অভিযোগ, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা পুরষদের ধরে নিয়ে হত্যা করছে, নারীদের ধর্ষণ করছে। আর গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছে।

গত ছয় সপ্তাহে বাংলাদেশে আসা এসব রোহিঙ্গা মানুষ উপকূলের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অস্থায়ী আশ্রয়শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে; যেখানে এক মানবিক বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার তাদেরকে নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে মিয়ানমারের উপর চাপ বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

সোমবার কুতুপালং ক্যাম্পে এক হাজার ৪ শত ৯৭ জন পুরুষ, ৬২৬ জন নারী মিলে দুই হাজার ১২৩ জন, নোয়াপাড়া ক্যাম্পে ৮৫৮ জন পুরুষ, ১ হাজার ১৬৫ জন নারী মিলে ২ হাজার ২৩ জন, থাইংখালী ক্যাম্পে ১ হাজার ৪৮৬ জন পুরুষ, ৮৫০ জন নারী মিলে ২ হাজার ৩৩৬ জন, বালুখালী ক্যাম্পে ১ হাজার ২৯২ জন পুরুষ, ৩২৭ জন নারী মিলে ১ হাজার ৬১৯ জন, লেদা ক্যাম্পে ১ হাজার ২৭৫ জন পুরুষ, ১ হাজার ৯৯ জন নারী মিলে ২ হাজার ৩৭৪ জন এবং পুরোদিনে পাঁচটি কেন্দ্রে মোট ১০ হাজার ৪৭৫ জনের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন করা হয়েছে।

সোমবার পর্যন্ত বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোট এক লাখ ৮ হাজার ৮৩২ জনের নিবন্ধন করা হয়েছে।

নিবন্ধন কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Advertisement
0.82115697860718